ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

অবশেষে স্বতন্ত্র স্কেলে বেতন পেতে যাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি : সংগৃহীত

অনেকদিন ধরেই নবম পে-স্কেলে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবি জানিয়ে আসছেন। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, খুব শীঘ্রই স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হবে। 

কবে নাগাদ শিক্ষকরা স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন সে বিষয়ে তিনি বলেন, বাস্তবায়নের তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পে-কমিশন শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নিয়ে জানিয়েছিল, এটি তাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণের দায়িত্ব বাংলাদেশ সার্ভিস কমিশনের। তাই তারা এ বিষয়ে কোনো কিছুই করবে না। তবে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

এদিকে শিক্ষক সংগঠন ও জোটের প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান গ্রেড কাঠামোতে কিছু পরিবর্তন আনা এবং কয়েকটি গ্রেড পুনর্গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। ১ম থেকে ৭ম গ্রেড অপরিবর্তিত থাকলেও বাকি গ্রেডগুলো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনগুলো।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ১ম গ্রেডে শিক্ষকদের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। সঙ্গে বার্ষিক ২.৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট, ৩ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা, মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া এবং ১ হাজার ৫০০ টাকা শিক্ষা ভাতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

২য় গ্রেড শিক্ষকদের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ৩য় গ্রেড ১ লাখ ২৫ হাজার। ৪র্থ গ্রেড ১ লাখ ১০ হাজার। ৫ম গ্রেড ৯৫ হাজার। ৬ষ্ঠ গ্রেড ৮০ হাজার। ৭ম গ্রেড ৭০ হাজার। ৮ম গ্রেড ৬২ হাজার। ৯ম গ্রেড ৫৫ হাজার। ১০ম গ্রেড ৫০ হাজার টাকা। ১১তম গ্রেড ৪৫ হাজার। ১২তম গ্রেড ৪০ হাজার। ১৩তম গ্রেড ৩৫ হাজার। সর্বনিম্ন প্রস্তাবিত ১৪তম গ্রেডে মূল বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়, অন্যান্য গ্রেডেও বিভিন্ন হারে বেতন ও সুবিধা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাকি গ্রেডগুলোতেও বিভিন্ন শতাংশে বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।