বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তম বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে ১১ হাজার ৭১৩ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে অনলাইনে আবেদন পড়েছিল ১৮ হাজার ৩৯৯টি। শূন্য পদের বিপরীতে পদ ফাঁকা না থাকায় কিছু প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হননি। এর মধ্যে আবার এক হাজার ২৭ জনের আবেদন ইনডেক্সের কারণে বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬ হাজার ৬৮৬ জন শিক্ষক নিবন্ধনধারী নিয়োগ পাননি।
এনটিআরসিএ বলছে, ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। গত ১৯ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের চাহিদা (ই-রিকুজিশন) সংগ্রহ করা হয়।
ওই তারিখের মধ্যে ১৯ হাজার ২০৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬৭ হাজার ১৩০টি (স্কুল ও কলেজ- ২৯৫২১, মাদ্রাসা-৩৬৭৭৬, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান-৮৩৩টি) শূন্যপদের চাহিদা পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ৪৩টি শূন্যপদের চাহিদা বাতিলের আবেদন পাওয়া যায়। সে পরিপ্রেক্ষিতে ৪৩টি শূন্যপদে চাহিদা বাতিলের পর অবশিষ্ট ৬৭ হাজার ৮৭টি পদের বিপরীতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। নিবন্ধিত প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে ১৮ হাজার ৩৯৯টি আবেদন পাওয়া যায়।
এনটিআরসিএ আরও বলছে, নিবন্ধনধারী প্রার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীদের মেধাক্রম ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রদত্ত গাইডলাইন অনুসরণ করে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃক সফটওয়ারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৫ হাজার ৭৪২ জন, মাদ্রাসায় ৪ হাজার ২৫৫ জন, কারিগরিতে ৩৫৪ জন, কারিগরি-মাউশি (সংযুক্তি প্রতিষ্ঠান) ১ হাজার ১৫৫ জন এবং মাদ্রাসা-কারিগরি (সংযুক্তি প্রতিষ্ঠান) ২০৭ জনসহ মোট ১১ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ করা হয়েছে।


