নির্বাসন থেকে ফিরেই আবারও আলোচনায় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। এক সপ্তাহের ফেসবুক বিরতির পর ফের অনলাইনে সক্রিয় হয়েছেন তিনি। বিরতির সময় তিনি ব্যক্তিগত কারণে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে ছিলেন, যা নেটিজেনদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছিল। ফিরেই তিনি পোস্ট করলেন এমন এক বার্তা, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
বৃহষ্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন ফারিয়া। সেখানে তিনি ছুড়ে দেন ছোট্ট একটি প্রশ্ন- ‘১০ সেকেন্ডস ব্যাক টু ব্যাক’ এইটার মানে কী?’ ব্যস, সঙ্গে সঙ্গেই দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল পোস্টটি। পোস্টটির কমেন্ট সেকশন দেখে বোঝা যায় শুধু ফারিয়া নয়, তার ভক্তরাও এই বিষয়ে জানতে আগ্রহী।

নেটিজেনরা জানতে চাচ্ছেন, এ কথার প্রকৃত অর্থ কী এবং কেন এটি এত জনপ্রিয়। অনেকে রসিকতা করেও বিভিন্ন মনগড়া কথা লিখছেন। কেউ বললেন, ‘পাশে থাকলে পাশে পাবেন’, কেউবা লিখলেন, ‘ভালবাসা দিলে ভালবাসা পাবেন’। তা আবার অন্যদের হাস্যরসের রসদও যোগাচ্ছে।
আসলে কী এই ‘১০ সেকেন্ডস ব্যাক টু ব্যাক’ ট্রেন্ড। কেনই বা সম্প্রতি বিভিন্ন সেলিব্রেটি ও পাবলিক পেইজের কমেন্ট সেকশনে এই বাক্যটির ছড়াছড়ি? বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘টেন সেকেন্ড ব্যাক টু ব্যাক’ নতুন কিছু নয়। এটি আগে থেকেই চলমান ফলো-ফর-ফলো ট্রেন্ডের একটি বিবর্তিত রূপ।

অর্থাৎ, কেউ আপনাকে ফলো করলে দশ সেকেন্ডের মধ্যে তাকেও পাল্টা ফলো করতে হবে। সহজ কথায়, এটি এক ধরনের দ্রুত ফলো করার চ্যালেঞ্জ। শবনম তার পোস্টে মূলত এই কথাটির প্রকৃত মানে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এর জনপ্রিয়তা জানতে চেয়েছেন।
ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক প্ল্যাটফর্মে তরুণ ব্যবহারকারীরা এই ট্রেন্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। তারা পোস্টে ‘টেন সেকেন্ড ব্যাক টু ব্যাক’ উল্লেখ করে একে অপরের ফলোয়ার তালিকা দ্রুত বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সব সময় এই ধরনের ফলো-ফর-ফলো ট্রেন্ড নিরাপদ বা কার্যকর হয় না। অনেক সময় এটি অপ্রয়োজনীয় স্প্যাম তৈরি করতে পারে এবং অচেনা ফলোয়ারের ভিড়ে বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে।

ফলে, ‘টেন সেকেন্ড ব্যাক টু ব্যাক’ শুধুই ফলোয়ার বৃদ্ধির কৌশল নয়, এটি সামাজিক মিডিয়ার নতুন চ্যালেঞ্জ এবং ব্যবহারকারীদের সক্রিয় রাখার মাধ্যম। শবনমের উপস্থিতি, বিরতির পর ফের সক্রিয় হওয়া এবং পোস্টের কৌতূহল এই ট্রেন্ডকে আরও প্রাণবন্ত করেছে।
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন