ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে ওই আসনের নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে বা স্থগিত হবে, তা নিয়ে ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশের আইনের আলোকে প্রার্থীর মৃত্যু ঘটলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ অনুযায়ী, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার ঘোষণা দেবেন। এরপর নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তপশিল ঘোষণা করা হবে।
যেসব প্রার্থী আগে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং যাদের মনোনয়ন বৈধ ছিল, তাদের নতুন ফরম বা জামানত দিতে হবে না। তবে নতুন প্রার্থীরা শুধু এই আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই আসনের নির্বাচনি তপশিল পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন