× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০২:৩২ পিএম

জোট রাজনীতিতে টানাপোড়েনের শুরু জামায়াত-এনসিপির?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০২:৩২ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনের আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্যদিকে, আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েমের নাম মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই আলোচনা চলছিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জামায়াতের হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন সাদিক কায়েম। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতাকে ঘিরে দলীয়ভাবে ইতিবাচক প্রত্যাশাও ছিল। দলীয় হাইকমান্ড মনে করছে, সাদিক কায়েমের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়া সম্ভব।

তবে এই ঘোষণার পর এনসিপি ও জামায়াতের জোট রাজনীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, জোটবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দুই দলই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য আলাদা মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এর আগে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত, এনসিপিসহ মোট ১১টি দল নিয়ে ১১ দলীয় একটি জোট গঠিত হয়েছিল, যারা একসঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। কেউ কেউ এই জোটকে ইতিবাচকভাবে দেখলেও অনেকের কাছে তা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ফলে সেই সময় থেকেই জোটের স্থায়িত্ব নিয়ে নানা ধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে এসব আলোচনা উপেক্ষা করেই জোটটি এখন সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে।

এমন প্রেক্ষাপটে দুই দলের আলাদাভাবে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা রাজনৈতিক সমন্বয় নিয়ে নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা।

রূপালী বাংলাদেশের এক সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামী যে রাজনৈতিক জোট গঠন করেছে সেটি মূলত জাতীয় নির্বাচনকেন্দ্রিক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তার মতে, এই জোটের কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত নেই যে তারা সিটি করপোরেশন বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একসঙ্গে অংশ নেবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয় নির্বাচনে—বিশেষ করে সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে—দলগুলো নিজেদের রাজনৈতিক বাস্তবতা, স্থানীয় সমীকরণ এবং কৌশলগত সুবিধা বিবেচনা করে আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। ফলে এনসিপি ও জামায়াত যদি আলাদা প্রার্থী নিয়ে সিটি নির্বাচনে অংশ নেয়, সেটি অস্বাভাবিক বা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়।

তিনি এটাও মনে করেন, এই ধরনের অবস্থানকে শুধু সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতা হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখা যেতে পারে। অর্থাৎ বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে আলাদা কৌশল গ্রহণ করে দলগুলো নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইতে পারে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বেশ সাধারণ একটি প্রবণতা।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার নাম ঘোষণা করে এনসিপি। 

Link copied!