‘আমি বাঁচতে চাই। আমার বাঁচার অনেক ইচ্ছা!’— কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ২নং সিদলা ইউনিয়নের বিন্না হারেঞ্জা গ্রামের যুবক মো. মারুফ মিয়া (২৫)। গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় এতদিন চিকিৎসা চললেও অর্থসংকটে এখন তা প্রায় বন্ধ। তাই তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে পরিবার।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মারুফের হৃদপিণ্ড স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বড় হয়ে গেছে এবং হার্টের এক পাশে ছিদ্র ধরা পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। এ জন্য ঢাকায় চিকিৎসায় প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
পরিবার জানায়, মারুফই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় ভ্যানে কাপড় বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল বৃদ্ধ বাবা-মা, তিন বোন ও স্ত্রী। পরিবারের নিজস্ব কোনো বসতঘর নেই; বর্তমানে তারা বোনের জামাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন। মারুফের নামে রয়েছে মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ জমি। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
পরিবারের দাবি, চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা না গেলে মারুফের জীবন আরও ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই তার জীবন বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বজনরা।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন