× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম

এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা খাতে বড় পরিসরে শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক এবং বিভিন্ন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক ও প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে এক লাখেরও বেশি নতুন শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউনেস্কোর উদ্যোগে আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ এডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্র্যান্ট অ্যান্ড মাল্টিপ্লায়ার গ্র্যান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে আপিল বিভাগ সরকারের পক্ষে রায় দিয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ এই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার পথ এখন উন্মুক্ত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, এর পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক ও প্রভাষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই দুই নিয়োগ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এইচএসসি পরীক্ষা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এদিন সকাল থেকেই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আগে পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করা মন্ত্রীদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ ছিল। তবে এবার সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে কেন্দ্র পরিদর্শনে না গিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এ ধরনের পরিবর্তনকে তিনি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও তারা শেষ পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। তার তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষায় প্রায় ৩৩ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এ পরিস্থিতিকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে এবং কোনো ধরনের অপচয় মেনে নেওয়া হবে না। অতীতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, আগে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ ও অনুদান এলেও অনেক ক্ষেত্রে তা যথাযথভাবে কাজে লাগানো হয়নি।

মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সরকারের দায়িত্ব হলো তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরিবেশ নিশ্চিত করা, যাতে শিক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!