× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি অভিযোগ, বেবিচক প্রকৌশলীকে বদলি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম

মো. শরিফুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

মো. শরিফুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামকে অন্য দপ্তরে বদলি করা হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) বেবিচকের প্রশাসন বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তিরান হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, সিভিল সার্কেল প্রকল্পে কর্মরত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে পিডিকিউ অ্যান্ড কিউএস সার্কেলে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ওই সার্কেলে সংযুক্ত রেখে পরিচালক (এরোড্রাম স্ট্যান্ডার্ড), এফএস অ্যান্ড আর বিভাগে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত জুনে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০০১ সালে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বেবিচকে নিয়োগ পান শরিফুল ইসলাম।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সরকারি মুক্তিযোদ্ধা গেজেট ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা ডেটাবেইসে তার বাবার নাম নেই। পরে তার চাকরি-সংক্রান্ত নথিপত্রে চারটি পৃথক মুক্তিযোদ্ধা সনদের তথ্য পাওয়া যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, চারটি সনদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ, আলাদা স্মারক নম্বর এবং বিভিন্ন ব্যক্তির সই রয়েছে। কোনো সনদে জেনারেল এম এ জি ওসমানীর, কোনো সনদে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের, কোনো সনদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং অন্য একটি সনদে সেক্টর কমান্ডার আহাদ চৌধুরীর স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ সরকারি গেজেট ও জাতীয় ডেটাবেইসে তার বাবার নাম না থাকায় এসব সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়। এ বিষয়ে বেবিচক চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়।

জাল সনদের অভিযোগের পাশাপাশি শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেবিচকের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়ম, কাওলা আবাসিক কোয়ার্টার রক্ষণাবেক্ষণে অর্থ আত্মসাৎ এবং কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত ও মামলা চলছে।

এসব অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তাকে কেবল এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে বদলি করা হয়েছে। বদলির আদেশে অভিযোগ বা চলমান তদন্তের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা কি শুধুই বদলিতে সীমাবদ্ধ থাকবে; নাকি তদন্ত শেষ হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে বেবিচক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্তের অগ্রগতি বা সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!