× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

মিসরের গোল কেন বাতিল, আর্জেন্টিনারটা কেন নয়

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে নাটকীয় জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে রেফারি ও ভিএআরের দুটি সিদ্ধান্ত। মিসরের দাবি, তাদের একটি বৈধ গোল বাতিল করা হয়েছে, অথচ আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে একই ধরনের ঘটনায় গোল বহাল রাখা হয়েছে।

কেন বাতিল হলো মিসরের গোল?

৫৮ মিনিটে জিকো মিশরের হয়ে গোল করলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি বাতিল করেন রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। কারণ, আক্রমণ শুরুর সময় মিশরের মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেসের জার্সি টেনে ধরেন এবং তার পায়ে বুটের আঘাত করেন।

ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা আইএফএবির ‘লজ অব দ্য গেম’ অনুযায়ী, গোল হওয়ার আগে আক্রমণাত্মক পর্যায়ে যদি ফাউল, হ্যান্ডবল বা অফসাইড ঘটে এবং সেটি গোলের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে ভিএআরের মাধ্যমে সেই ঘটনা পর্যালোচনা করে গোল বাতিল করা যায়।

ফক্স স্পোর্টসের রেফারিং বিশ্লেষক ড. জো ম্যাকনিকও বলেন, আক্রমণ শুরুর সময় ফাউল হওয়ায় গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। একই মত দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার অ্যালি ম্যাককোয়েস্ট। তার ভাষায়, গোলটি দারুণ ছিল, কিন্তু আক্রমণকারী নিশ্চিতভাবেই প্রতিপক্ষের জার্সি টেনেছিলেন। তাই সিদ্ধান্তটি সঠিক।

আর্জেন্টিনার গোল কেন বহাল থাকল?

ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনের বিশ্লেষণে সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিস বলেন, ম্যাচের শেষ দিকে দুটি ঘটনাই ভিএআর পরীক্ষা করেছিল। একদিকে আর্জেন্টিনার গোল বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, অন্যদিকে মিশর পেনাল্টিও পেতে পারত। তবে ভিএআর মনে করেছে, কোনো ঘটনাই হস্তক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করেনি।

ডেভিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার প্রতিপক্ষের জার্সি ধরলেও সেটি ছিল খুবই সামান্য এবং স্বল্প সময়ের জন্য। এতে প্রতিপক্ষের বল নিয়ন্ত্রণ বা খেলার সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি। ফলে এটিকে পেনাল্টি বা ফাউল হিসেবে গণ্য করার মতো পর্যাপ্ত কারণ ছিল না।

সালাহর পেনাল্টির দাবি কেন নাকচ?

ম্যাচে মোহাম্মদ সালাহও একটি পেনাল্টির দাবি করেছিলেন। তবে ডেভিসের মতে, ওই ঘটনায় জুলিয়ান আলভারেজের স্পষ্ট কোনো ফাউল ছিল না। দুই খেলোয়াড়ের বুট স্বাভাবিক গতির কারণে একে অপরের সঙ্গে লাগে এবং সালাহ প্রয়োজনের তুলনায় সহজেই পড়ে যান। তাই পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্তও সঠিক ছিল।

দুই ঘটনার মধ্যে পার্থক্য কী?

দুটি ঘটনাকে এক মনে হলেও রেফারিংয়ের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

মিশরের বাতিল হওয়া গোলের আগে স্পষ্টভাবে জার্সি টানা ও পায়ে আঘাতের মতো ফাউল হয়েছিল, যা সরাসরি আক্রমণ গড়ে ওঠার অংশ ছিল।

আর্জেন্টিনার ঘটনায় ছিল স্বল্প সময়ের হালকা শার্ট ধরা এবং স্বাভাবিক শারীরিক সংস্পর্শ, যা প্রতিপক্ষের খেলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।

এই কারণেই ভিএআর প্রথম ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে গোল বাতিল করলেও দ্বিতীয় ঘটনায় হস্তক্ষেপের প্রয়োজন দেখেনি।

Link copied!