× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ১০:২০ পিএম

সরকারি টাকায় বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনা বন্ধ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ১০:২০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি ব্যয় কমাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সরকারি খরচে বিদেশ ভ্রমণ, সুদমুক্ত বিশেষ ঋণে ব্যক্তিগত গাড়ি কেনা এবং উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেটের আওতায় নতুন মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্ত সকল সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেটের আওতায় কোনো ধরনের মোটরযান, জলযান বা আকাশযান কেনা যাবে না। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপন এবং নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় যানবাহন অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কেনা যাবে।

এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তা কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ছাড়া নতুন বা প্রতিস্থাপিত সব জিপ ও কার অবশ্যই ফুল ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (এফইভি) হতে হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুদমুক্ত বিশেষ ঋণে ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার সুবিধাও আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

সরকারি অর্থায়নে বিদেশে প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণও বন্ধ থাকবে। তবে বিদেশি সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া যাবে। পাশাপাশি স্কলারশিপ বা ফেলোশিপের আওতায় মাস্টার্স ও পিএইচডি অধ্যয়নের জন্য বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ বহাল থাকবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, পরিচালন বাজেটের আওতায় নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা যাবে না। তবে কোনো নির্মাণকাজ ৭০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়ে থাকলে অর্থ বিভাগের অনুমোদনক্রমে তা শেষ করা যাবে।

এ ছাড়া পরিচালন বাজেট থেকে ভূমি অধিগ্রহণে কোনো অর্থ ব্যয় করা যাবে না। উন্নয়ন বাজেটের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে ব্যয় করা যাবে।

অর্থ বিভাগ আরও জানিয়েছে, পরিচালন বাজেটের থোক বরাদ্দ থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা যাবে না। তবে পরিকল্পনা কমিশনের অনুকূলে সংরক্ষিত ‘বিশেষ প্রয়োজনে উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের অর্থ অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন নিয়ে ব্যয় করা যাবে।

পরিপত্রে সরকারি ব্যয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে ‘ভ্যালু ফর মানি’ বা অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

Link copied!