× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

হাসনাতের প্রশ্নে শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে হাসনাত আবদুল্লাহ ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে হাসনাত আবদুল্লাহ ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, জীবনমান ও পেশাগত মর্যাদা নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে তাদের বেতন-ভাতা ও সম্মানী বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবে সরকার।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষকদের সম্মানীও বাড়াতে হবে। তাহলে তারা আরও ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। আমরা চাই শিক্ষকরা যেন অন্য কোনো পেশার কথা না ভেবে শিক্ষার্থীদের পেছনে পূর্ণ সময় দিতে পারেন। সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

এর আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা উচ্চশিক্ষার ভিত্তি। এই দুই স্তরের শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ছাড়া শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তিনি জানান, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে ১১ হাজার টাকা মূল বেতনে চাকরি শুরু করেন। অন্যদিকে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন পান। বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে এই বেতন অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষকতা পেশায় দক্ষ ও মেধাবীদের আকৃষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে সংসার চালাতে শ্রেণিকক্ষের বাইরে অতিরিক্ত কাজ, এমনকি কৃষিকাজও করতে হচ্ছে। মাধ্যমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের বাস্তবতা দেখা যায়। ফলে শিক্ষকদের মর্যাদা ও বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা জরুরি, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও বিকাশে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষাখাতে অবকাঠামো উন্নয়নে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও মানবসম্পদ উন্নয়নে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ কারণে বর্তমান সরকার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের আর্থিক সুবিধা ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধির দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই শিক্ষকরা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার কাজে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন। এজন্য পর্যায়ক্রমে তাদের সম্মানী ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।

Link copied!