× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৫:৫৯ এএম

নথিপত্র না থাকায় দেশে আনা যাচ্ছে না প্রবাসীর মরদেহ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৫:৫৯ এএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

গ্রিসের করিদালোজ কারাগারে গত ১৪ মার্চ মারা যান শরীয়তপুরের বাসিন্দা কামরান দেলোয়ার হোসেন খান। প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফলে আগামী ৭ মে গ্রিসেই তার দাফন সম্পন্ন করা হবে।

শনিবার (২ মে) এথেন্সে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মৃত্যুর সময় কামরান দেলোয়ার হোসেন খানের কাছে কোনো বাংলাদেশি পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো স্বীকৃত নথি ছিল না। ফলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি গ্রিসে অনিয়মিতভাবে বসবাস করছিলেন এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদও নিবন্ধিত ছিল না।

তবে গ্রিক কর্তৃপক্ষের দেওয়া নথিতে তাকে বাংলাদেশি হিসেবে উল্লেখ থাকায় মানবিক বিবেচনায় দূতাবাস মরদেহটি গ্রহণ করে। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, তার পূর্বপুরুষরা শরীয়তপুর জেলায় বসবাস করতেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকায় যোগাযোগ করে তার পরিবারের কোনো সদস্যকে পাওয়া যায়নি।

পরে বিদেশে অবস্থানরত তার এক ভাই দূতাবাসকে জানান, বাংলাদেশে তাদের কোনো স্বজন নেই। তিনি গ্রিসেই দাফনের জন্য অনুরোধ জানিয়ে অনাপত্তিপত্র দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ আর নেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত না হলে এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশি হিসেবে প্রমাণিত না হলে সরকারের পক্ষে মরদেহ-সংক্রান্ত কার্যক্রম নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবু মানবিক কারণে দূতাবাস গ্রিক সরকারের তথ্যের ভিত্তিতে মুসলিম রীতিতে দাফনের উদ্যোগ নিয়েছে।

দূতাবাস জানায়, কুমোটিনি এলাকায় মুসলিম রীতিতে দাফনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা এথেন্স থেকে বেশ দূরে অবস্থিত। স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটির অনুমোদন সাপেক্ষে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় এবং এতে ব্যয়ও বেশি।

এ ছাড়া সরকারি বরাদ্দ প্রসঙ্গে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের বাজেট থেকে কেবল বৈধ (ডকুমেন্টেড) কর্মীদের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। অনথিভুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে পরিচয় নিশ্চিত হলে বিশেষ বিবেচনায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে বিদেশে দাফনের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই।

কামরান দেলোয়ার হোসেন খানের ক্ষেত্রে পরিবারের অনুরোধ এবং মানবিক বিবেচনায় দূতাবাস নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তার দাফনের উদ্যোগ নিয়েছে। দূতাবাস জানায়, ভবিষ্যতেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠাতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!