ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। একদিকে হ্যারি কেইন, অন্যদিকে আর্লিং হাল্যান্ড, সময়ের অন্যতম সেরা দুই স্ট্রাইকারের লড়াইয়ে জমে উঠেছে ম্যাচটি।
ম্যাচ শুরুর আগে পরিসংখ্যান অবশ্য এগিয়ে রাখছে ইংল্যান্ডকে। তবে ইতিহাসে নরওয়েরও রয়েছে দুটি স্মরণীয় জয়।
এটি দুই দলের প্রথম কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে মুখোমুখি লড়াই। এর আগে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে ১২ বার একে অপরের মুখোমুখি হলেও সবগুলো ম্যাচই ছিল প্রীতি ম্যাচ কিংবা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে।
দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৩৭ সালে। এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতেছে ৭টিতে, নরওয়ের জয় ২টি এবং বাকি ৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
নরওয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় জয় আসে ১৯৮১ সালের সেপ্টেম্বরে অসলোতে। সেই ম্যাচে ব্রায়ান রবসনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে রজার আলবার্টসেন ও হলভার থোরেসেনের গোলে বিরতির আগেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নরওয়ে এবং শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে জয় তুলে নেয়।
১৯৯৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও ইংল্যান্ডকে হতাশ করে নরওয়ে। ওয়েম্বলিতে প্রথম ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর অসলোর উলেভাল স্টেডিয়ামে ২-০ ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা।
তবে অসলোর সেই জয়ের পর আর কখনও ইংল্যান্ডকে হারাতে পারেনি নরওয়ে। পরবর্তী চারটি প্রীতি ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে হয়েছে মাত্র দুটি গোল।
দুই দলের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০১৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। ওয়েম্বলিতে অনুষ্ঠিত সেই প্রীতি ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে করা ওয়েইন রুনির একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড।

