× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১১:১৮ এএম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাড়ছে এ-১০ যুদ্ধবিমানের আয়ু

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১১:১৮ এএম

ছবি  : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আইকনিক ‘এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২’ যুদ্ধবিমান অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মার্কিন বিমানবাহিনী। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা পাল্টে এই ক্লোজ-এয়ার সাপোর্ট বিমানগুলোর সেবার মেয়াদ অন্তত ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন বিমানবাহিনী সচিব ট্রয় মেঙ্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিমানবাহিনী সচিব জানান, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

মেঙ্ক তার পোস্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘দ্রুত ও নিষ্পত্তিমূলক নেতৃত্বের’ প্রশংসা করে বলেন, মার্কিন বাহিনীকে সুসজ্জিত রাখতে বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন ও বর্তমান সক্ষমতা বজায় রাখাই এখন মূল লক্ষ্য। 

তিনি আরও জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সময় এই বিষয়ে বিস্তারিত আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।

বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে মার্কিন বিমানবাহিনী এ-১০ বহর কমিয়ে আনার চেষ্টা করছিল। তাদের যুক্তি ছিল, ভবিষ্যতের আধুনিক ও উচ্চ প্রযুক্তিগত যুদ্ধে এই ধীরগতির বিমানগুলো খুব একটা টিকে থাকার উপযোগী নয়। 

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিমানবাহিনী ইতোমধ্যে নতুন এ-১০ পাইলট প্রশিক্ষণ এবং ভারী রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছিল। এমনকি ২০২৪ সাল থেকে মোট বহরের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বিমান বাতিলের তালিকায় নাম লিখিয়েছিল।

তবে বর্তমান ভূ-রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সাথে চলমান সংঘাত বিমানবাহিনীর এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বদলে দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরাকে ইরানপন্থি মিলিশিয়া গোষ্ঠী এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানি সশস্ত্র নৌযানগুলোর বিরুদ্ধে এ-১০ বিমান অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। 

বিশেষ করে ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ কার্যকর রাখতে এবং শাহেদ ড্রোনের মতো আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় এই বিমানগুলো এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক এক রোমাঞ্চকর অভিযানের কথাও সামনে এসেছে, যেখানে ইরানে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন এফ-১৫৩ই স্ট্রাইক ইগলের দুই পাইলটকে উদ্ধারে এ-১০ বিমানগুলো সুরক্ষা প্রদান করে। 

উদ্ধার চলাকালে একটি এ-১০ বিমান ইরানি গোলার আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, এর দক্ষ পাইলট বিমানটিকে বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় নিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং নিরাপদে ইজেক্ট করেন। 

মূলত সম্মুখ সমরে সরাসরি আকাশ থেকে স্থল বাহিনীকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ-১০ এর কোনো বিকল্প এখনো তৈরি না হওয়ায় এর প্রয়োজনীয়তা আরও প্রকট হয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!