× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০১:১৫ পিএম

ইরান যুদ্ধ শেষ, দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০১:১৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন প্রশাসন দাবি করেছে, ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনা কার্যত শেষ হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মতে, গত এপ্রিলের শুরুতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকেই এই সংঘাতের সমাপ্তি ঘটেছে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, এই ব্যাখ্যার আড়ালে কংগ্রেসের অনুমোদন সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতা এড়ানোর চেষ্টা থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মার্কিন সিনেটে এক শুনানিতে একই অবস্থান তুলে ধরেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি জানান, যুদ্ধবিরতির মাধ্যমেই মূলত লড়াইয়ের ইতি টানা হয়েছে। প্রশাসনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ নির্ধারিত ৬০ দিনের সীমা এখন আর প্রযোজ্য নয়, কারণ যুদ্ধ পরিস্থিতি আর সক্রিয় নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যে শত্রুতা শুরু হয়েছিল, তা এখন আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকেও শেষ। তার ভাষ্য, ৭ এপ্রিল শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আর কোনো সরাসরি হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেনি।

আইনি ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, বিদেশে সামরিক অভিযান শুরু হলে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল ১ মে। তবে হোয়াইট হাউসের দাবি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় সেই সময় গণনা আপাতত স্থগিত রয়েছে।

যদিও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এলাকায় ইরান তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। একইসঙ্গে, ইরানি তেলবাহী জাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতিও অব্যাহত রয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা

প্রশাসনের এই অবস্থানকে ‘অভূতপূর্ব’ ও ‘আইনবহির্ভূত’ বলে সমালোচনা করেছেন উভয় দলের একাধিক আইনপ্রণেতা। রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদনের বিষয়টি কোনো পরামর্শ নয়, বরং এটি বাধ্যতামূলক আইন। ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো সামরিক পদক্ষেপের জন্য সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন ভাষ্য, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দেওয়া যুক্তির কোনো আইনি ভিত্তি নেই। একইভাবে ব্রেনান সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ক্যাথরিন ইয়ান এব্রাইটও বলেন, আইনটিতে কোথাও উল্লেখ নেই যে যুদ্ধবিরতির সময় ৬০ দিনের সময়সীমা থেমে যাবে।

নতুন কৌশলের ইঙ্গিত

এদিকে, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক কর্মকর্তা রিচার্ড গোল্ডবার্গ প্রশাসনকে পরামর্শ দিয়েছেন নতুন নামে অভিযান চালানোর। তার প্রস্তাব, ‘অপারেশন এপিক প্যাসেজ’ নামে একটি নতুন মিশন শুরু করা যেতে পারে, যা আগের অভিযানের ধারাবাহিকতা হিসেবে পরিচালিত হবে।

তার মতে, এই ধরনের পদক্ষেপকে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই হরমুজ প্রণালিতে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতে পারে।

সূত্র: এপি

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!