× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ১০:১১ এএম

শান্তির খোঁজে ওয়াশিংটন, তেহরান কি দেবে সাড়া?

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ১০:১১ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

কয়েক দিনের টানা উত্তেজনার পর পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে শনিবার এক প্রকার থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের দেওয়া সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবের বিষয়ে এখন তেহরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত শুক্রবার জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন আশা করছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান তাদের প্রস্তাবের জবাব দেবে। তবে শনিবার পর্যন্ত তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া বা পদক্ষেপের লক্ষণ দেখা যায়নি। 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত এই চুক্তিতে মূলত বিবাদমান অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয়, বিশেষ করে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে শনিবার (০৯ মে) মিয়ামিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কো রুবিও।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং হুমকি মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন। যদিও ওই বিবৃতিতে সরাসরি ইরানের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে, একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে শনিবার কাতার থেকে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বোঝাই ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে দেখা গেছে। 

শিপিং ডেটা অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কোনো কাতারি জাহাজ এই পথ ব্যবহারের অনুমতি পেল। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ও পাকিস্তানের সাথে আস্থা বাড়াতে ইরান এই ছাড় দিয়েছে।

আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের কথা রয়েছে। তার আগেই এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। 

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে সরবরাহ করা হয়, যা বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে সংঘাত থামেনি। শুক্রবারও হরমুজ প্রণালিতে ইরানি বাহিনীর সঙ্গে মার্কিন নৌযানের বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। 

ইরান নিয়ন্ত্রিত একটি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টার সময় দুটি জাহাজে মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক দপ্তর। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা শুক্রবার ইরান থেকে আসা দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বলেন, প্রতিবার যখন কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ আসে, তখনই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হঠকারিতার পথ বেছে নেয়। 

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সমর্থন আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। ব্রিটেন ইতিমধ্যে এই অঞ্চলে তাদের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!