ঢাকা সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

৪৮০০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬ : শুভেন্দু

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
শুভেন্দু অধিকারী। ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে থাকা ৪৮০০ জনকে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে। এ ছাড়া পুশব্যাকের অপেক্ষায় আছেন আরও ৮৩৬ জন।

রোববার (৭ জুন) কলকাতায় আয়োজিত পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান কার্যক্রম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, ‘সিএএ-এর আওতায় যারা পড়েননি, এমন অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার কাজ নিয়ম মেনে শুরু করেছি। এই ইস্যুতে ভারত সরকারের একটি আইন ছিল। সেই আইনে তাদের কারাগারে না পাঠিয়ে সরাসরি বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করার কথা বলা আছে। কিন্তু এ রাজ্যে সেটি কার্যকর হয়নি। এবার তাদের জন্য রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে হোল্ডিং সেন্টার বানানো হয়েছে। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ৪,৮০০ জনকে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন আরও ৮৩৬ জন। খাইয়ে-পড়িয়ে তাদেরও আমরা ওদিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।’

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘আমরা বিএসএফকে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৫৬ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত রয়েছে। সেখানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে এখন পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘চিকেন নেক’-কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’

মুখ্যমন্ত্রীর আরও বলেন, ‘আমরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করছি, না হলে দেশ সুরক্ষিত থাকত না। তা ছাড়া অনেক আগেই বাংলায় জনবিন্যাস পরিবর্তন হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ইতিমধ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে, এরপর বিএসএফের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। যদিও এ ব্যাপারে এত দিন বিএসএফ বা বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রত্যর্পণের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।