× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আঁতাত করা কে সেই ভেনেজুয়েলার ‘মীরজাফর’?

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

মাদুরোর সঙ্গে কাবেলো। ছবি : সংগৃহীত

মাদুরোর সঙ্গে কাবেলো। ছবি : সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় ৩ জানুয়ারি হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। কারাকাসের নিরাপদ বাসভবন থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অপারেশন অ্যাবসলিউট রিসলভ এর মাধ্যমে যেভাবে তাদের তুলে নেওয়া হলো, খুব কাছের কারো সাহায্য ছাড়া কি সেটা আদৌ সম্ভব ছিল? 

এ প্রশ্নের কৌতূহল মিটে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে। এতে জানানো হয়, মার্কিন বাহিনীর এই অভিযান এত সহজ হয়ে গিয়েছিল মূলত একজন বিশ্বাসঘাতকের কারণে। মাদুরোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ওই ব্যক্তি প্রতিনিয়ত ভেনেজুয়েলান প্রেসিডেন্টের তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র কাছে পাঠাচ্ছিলেন। ফলে অভিযানের সময় মাদুরোর অবস্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল যুক্তরাষ্ট্র।

কিন্তু কে ছিল সেই ‘মীরজাফর’, সেটি জানানো হয়নি। ফলে জল্পনা বাড়তেই থাকে। সেই জল্পনার আগুনে এবার ঘি ঢেলে দিয়েছে রয়টার্সই।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাদুরোকে বন্দি করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলোর সঙ্গে আলোচনা করছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৬২ বছর বয়সি কাবেলোকে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে জানিয়েছিল, তার অধীনে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র সমর্থকদের ব্যবহার করে যেন বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো না হয়।

কাবেলোর নিয়ন্ত্রণাধীন এই নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। গত ৩ জানুয়ারির মার্কিন অভিযানের পরও বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই কার্যকর রয়েছে এসব বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন আঁতাত?

যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে যে অভিযোগে তুলে নিয়েছে, সেই একই মাদক পাচার মামলায় নাম রয়েছে কাবেলোরও। তবে অভিযানের সময় তাকে বন্দি করেনি ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্র জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের শুরুর দিক থেকেই কাবেলোর সঙ্গে এই যোগাযোগ শুরু হয় এবং মাদুরোকে সরানোর ঠিক আগের সপ্তাহগুলোতেও তা চলে। মাদুরো অপসারণের পরও কাবেলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ রাখছে বলে চারটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এই যোগাযোগ এখন ভেনেজুয়েলার ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, কাবেলো যদি তার নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনীকে পুরোপুরি মাঠে নামান, তাহলে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কাবেলোর আলোচনায় ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। কাবেলো যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা মানছেন কি না, সেটিও অনিশ্চিত। তিনি প্রকাশ্যে রদ্রিগেজের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলা কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ডেলসি রদ্রিগেজ হলেও বিশ্লেষকদের মতে, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বা ভেস্তে দেওয়ার ক্ষমতা রয়ে গেছে কাবেলোর হাতেই। একটি সূত্র জানায়, কাবেলো সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন।

হোয়াইট হাউস ও ভেনেজুয়েলা সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!