× UCB Sticker Card
রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৬:৪৯ এএম

বললেন অর্থমন্ত্রী

১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৬, ০৬:৪৯ এএম

১ ট্রিলিয়ন ডলারের  অর্থনীতির দিকে বাংলাদেশ

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে বাংলাদেশ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম সফরকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (এফডিআই), ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগÑ সবই বাংলাদেশে আসছে। এই ধারাবাহিকতায় দেশ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে।

তিনি জানান, এবারের বাজেট বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে প্রণয়ন হয়েছে। সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামকে লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে চট্টগ্রামের সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কর্ণফুলী নদীর ওপারে আনোয়ারায় ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি জোন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া একসঙ্গে অনেকগুলো নতুন বন্দর হবে এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও প্যাসেঞ্জার হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, চট্টগ্রামে একটি চাইনিজ ইকোনমিক জোন স্থাপন হবে। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে লাকসাম অংশের উন্নয়ন করে ট্রেন যাতায়াতের সময় দুই ঘণ্টা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। মাতারবাড়ীকে ঘিরেও বড় ধরনের কার্যক্রম হাতে রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চল একটি লজিস্টিক্যাল হাবে পরিণত হবে এবং বন্দরগুলোর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হওয়ায় এসব বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগবে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব। সরকারের প্রথম লক্ষ্য এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বের হয়ে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। এরপর সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগানো। তৃতীয় ও চতুর্থ বছর থেকে সমৃদ্ধির প্রকৃত ধারা শুরু হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!