× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:৪৮ এএম

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কমছে পানি

উত্তর-পূর্বে বন্যার চোখরাঙানি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৫:৪৮ এএম

উত্তর-পূর্বে বন্যার চোখরাঙানি

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোয় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। তবে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চোখরাঙানি দিচ্ছে বন্যা। উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান। এদিকে দেশে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত সাত জেলায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে পাঁচ জেলা রংপুর কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারী নদী তীরবর্তী নি¤œাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গতকাল তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের নদীসমূহের পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এই জেলাগুলোর নি¤œাঞ্চলে একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগেও বন্যার চোখরাঙানি দেখা দিয়েছে। হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ফলে আগামী দু-একদিনের মধ্যে তিস্তা অববাহিকার নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে কেন্দ্র।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পানি কমতে শুরু করলেও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি বাড়ছে। ফলে সিলেট ও রংপুর বিভাগের কিছু জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবান) যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন উন্নতির দিকে। ওই অঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি ধীরগতিতে কমতে শুরু করায় নি¤œাঞ্চল থেকে বন্যার পানি নামছে, যা দুর্গত মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে।

সাত জেলায় নিহত ৫৪ : দেশে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। দেশের ৭টি জেলায় আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১। সোমবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বন্যা পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিভাগে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু : দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করা হয়েছে। সোমবার বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের ১৪তম তলায় স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি সরকারি ছুটিসহ প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চালু থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে নির্ধারিত সময়ের পরও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ০২-৪৭১২০৩০৯ এবং মোবাইল নম্বর : ০১৭৩৯-০০০২৯৩।

বন্যাকবলিতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৬ পরামর্শ : বন্যাকবলিত এলাকার আশপাশে বসবাসকারী মানুষের জন্য ছয়টি বিশেষ স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ কার্যালয়। গতকাল সোমবার নিজেদের ফেসবুক পেজে এক সচেতনতামূলক বার্তার মাধ্যমে এ সতর্কতা জারি করেছে সংস্থাটি। সংস্থাটির দেওয়া সতর্কবার্তাগুলো হলো, পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি : বন্যা পরিস্থিতিতে বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে, তাই চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি: বন্যার পানিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তারের সংস্পর্শে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এই সময়ে বৈদ্যুতিক সংযোগের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। দূষিত পানি থেকে রোগ ছড়ানো: বন্যার পানি নানাভাবে দূষিত হতে পারে। এই পানি ব্যবহারের ফলে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। দূষিত খাবার থেকে রোগ ছড়ানো: বন্যার সময় উন্মুক্ত বা সংরক্ষিত খাবার দূষিত হয়ে যেতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। মশাবাহিত রোগ: বন্যার জমে থাকা পানিতে মশা দ্রুত বংশবিস্তার করে। ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাপের কামড়ের ঝুঁকি: বন্যাজনিত পরিস্থিতিতে সাপের উপদ্রব বাড়ে, তাই সাপের কামড় খাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কেও সজাগ থাকতে হবে,  দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সাবধানতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সিলেটের তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে : সুরমা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর চার পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগামী দুই দিনে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার নি¤œাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা খারাপ হতে পারে। সোমবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম শোভনের সই করা বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়, পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে সুরমা নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ), কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ) ও ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বাড়ছে তিস্তার পানি : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিস্তার পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় উত্তরের পাঁচ জেলা রংপুর কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারী  নদী তীরবর্তী নি¤œাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও নদীর মধ্যবর্তীতে বসবাস করা চরের প্রায় ৬ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী  আহসান হাবিব। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় পানি আরও বাড়বে এবং নির্মাঞ্চল  প্লাবিত হবে। তাই চরের মানুষদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৩টার তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অনেক অংশ সংস্কার না করায় পানি বৃদ্ধি পেলেই ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী সংস্কারের পরিবর্তে বর্ষাকালে জরুরি মেরামতের কারণে কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নি¤œাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি অথবা বিদ্যমান পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া নদীতে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঘরবাড়ি-ফসল হারিয়ে নিঃস্ব কক্সবাজারের লাখো মানুষ : বন্যার পানি নামছে, কিন্তু কাটছে না কক্সবাজারের মানুষের দুর্ভোগ। বরং পানি সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠছে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের চিত্র। কাদায় চাপা পড়ে আছে মানুষের স্বপ্ন, ভেঙে পড়েছে হাজারো বসতঘর, নষ্ট হয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, ভেসে গেছে মাছের ঘের। কোথাও রান্নার হাঁড়ি কাদায় ডুবে আছে, কোথাও শিশুদের বই-খাতা কিংবা জীবনের শেষ সম্বলটুকুও নষ্ট হয়ে গেছে। টানা ছয় দিনের ভয়াবহ বন্যা শেষে জেলার লাখো মানুষ এখন নতুন করে জীবন গড়ার কঠিন সংগ্রামে নেমেছেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, জেলার ১০ উপজেলার ৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৯টি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছেন আড়াই লাখেরও বেশি মানুষ। পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে।

হু হু করে বাড়ছে মুহুরী নদীর পানি : ফেনীতে টানা বর্ষণ ও ভারতের উজানের ঢলে মুহুরী নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। উজানে ভারি বৃষ্টিপাত হলে দ্রুতই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা। সোমবার দুপুর ৩টার দিকে মুহুরী নদীতে পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৪৫ মিটার। যা বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার নিচে আছে। নদীটির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৫৫ মিটার।

ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, সোমবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ধীরে ধীরে এ বৃষ্টিপাত কমতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবার পরিস্থিতি কিছুটা ব্যতিক্রম। গত কয়েক দিন ধরে কিছু সময় পানি বাড়লেও পরবর্তীতে আবার কমেছে। সর্বশেষ সোমবার সকাল থেকে নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। সকাল ৬টায় মুহুরী নদীর পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৩৫ মিটার, দুপুর ৩টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৪৫ মিটারে। পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে বাঁধের একাধিক ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সমস্যা হতে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!