× UCB Sticker Card
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৬:০৪ এএম

বললেন প্রধানমন্ত্রী

বিদেশে চিকিৎসায় বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার চলে যাচ্ছে

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৬:০৪ এএম

বিদেশে চিকিৎসায়  বছরে ৫ বিলিয়ন  ডলার চলে যাচ্ছে

দেশের অন্য সব হাসপাতাল যখন জটিল রোগী ভর্তিতে অনীহা দেখায়, তখন কান্ডারির ভূমিকায় পাঁশে দাঁড়ায় দেশের বৃহত্তম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। শত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও রোগীদের সেবা দিয়ে গড়েছে ইতিহাস। আর এই ইতিহাস এক বা দুই বছরের নয়, ৮১ বছরের। আর গতকাল শনিবার ছিল হাসপাতালটির ৮১ বছরের উদযাপন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্ণাঢ্য উদযাপনের উদ্বোধন করে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানান সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করার। তিনি বলেন, জনগণ যাতে শুরুতেই স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শ পায়, এ লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে ১ লাখ হেলথ কেয়ারার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এদের মধ্যে ৮০ শতাংশ হবেন নারী হেলথ কেয়ারার, যারা পরিবারভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রোগীদের প্রতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি  এবং সঠিক চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমেই দেশের স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস পুরোপুরি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাহলে প্রতি বছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যাবে না।

৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা খাত শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সময়নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি রোগীদের প্রতি সহমর্মী আচরণ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বক্তব্যের শুরুতে ঢাকা মেডিকেল কলেজকে জীবন্ত ইতিহাস ও কালের সাক্ষী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু চিকিৎসার ক্ষেত্রেই নয়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ২০২৪ সালের বীর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানÑ প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এ দেশ থেকে বহু মানুষ বিদেশে যাচ্ছেন চিকিৎসা করাতে। এর ফলে প্রতি বছর পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে চিকিৎসার খরচে। দেশের মানুষের এই চিকিৎসা আমরা কেন দেশে করাতে পারব না? আমরা কেন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারব না? এটা আইন প্রয়োগ করে হবে না। কেবল চিকিৎসকেরাই পারবেন তাদের মানবিক অ্যাপ্রোচ আর সঠিক চিকিৎসা দানের মাধ্যমে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস সম্পূর্ণ ফিরিয়ে আনতে। তাই চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান থাকবে, রোগীর আস্থা অর্জনে আরও মানবিক হোন। জনগণ যাতে শুরুতেই স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শ পায়, এ লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে ১ লাখ হেলথ কেয়ারার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদের মধ্যে ৮০ শতাংশ হবেন নারী হেলথ কেয়ারার, যারা পরিবারভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন। তিনি বলেন, একটি সুস্থ জাতি শুধু হাসপাতাল দিয়ে গড়ে ওঠে না, বরং পারিবারিক সচেতনতা, পরিচ্ছন্ন প্রতিবেশ ও পরিবেশ, স্বাস্থ্য পরামর্শ, নিরাপদ খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং নাগরিক হিসেবে দায়িত্বশীল জীবনাচরণের ওপর শারীরিক সুস্থতার অনেকখানি নির্ভর করে। ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’Ñ সরকার এই নীতিতে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পুষ্টি, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা পর্যবেক্ষণ, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, কিডনি রোগ, হৃদরোগ কিংবা ক্যানসারÑ এমন অনেক বিষয় সম্পর্কে আগেভাগেই স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ পেলে শুরুতেই রোগের নিরাময় অনেকাংশেই সহজ হয়ে যায়। তাই পরামর্শ অনুযায়ী সচেতনতা অবলম্বন করলে নিয়মিত পরীক্ষা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক রোগ গোড়াতেই নিরাময় কিংবা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘শিক্ষা খাতের পর সরকার দেশের ইতিহাসে এবারই স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। এ বছর জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। এই বরাদ্দ জিডিপির ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের পরিমাণ আগামী পাঁচ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু বাজেট বৃদ্ধি নয়, সরকার বিভিন্ন চিকিৎসাসামগ্রী এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যয় কমিয়েছে। ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনাটোরস, পেরিফেরাল ভাসকুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি এবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স ও ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ট্যাক্স সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সরকার দেশের প্রতিটি হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ বেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ৫০০ উপজেলার মধ্যে বর্তমানে মাত্র পাঁচটি উপজেলায় ১০০ বেডের হাসপাতাল রয়েছে। জনসংখ্যার তুলনায় এটি অপ্রতুল। ফলে চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীদের শহরমুখী হতে হয়। এ কারণে সরকার দেশের সবকটি উপজেলায় বর্তমানে বিদ্যমান ৩১ থেকে ৫১ বেডের প্রতিটি হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ বেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি সব হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে বিরতিহীন বিদ্যুৎ সরবরাহের পদক্ষেপ নিয়েছে। শিশুস্বাস্থ্য রক্ষায়ও বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সরকার ইতোমধ্যে শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বরিশাল ও রাজশাহীতে নির্মিত ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এতে শিশু চিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক না থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহজলভ্য হবে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাব্যবস্থার সঙ্গে মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ বিজ্ঞানসম্মত করার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই মিলে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে বিজ্ঞানসম্মত এবং হাসপাতালগুলোকে ক্লিন রাখার চেষ্টা করি।’ রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আরও ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীর বিদ্যমান শূন্যপদ দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এর আগে সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবাইদা রহমান কলেজ প্রাঙ্গণে দুটি গাছের চারা (একটি অর্জুন ও একটি নিম) রোপণ করেন। পরে জুলাই আন্দোলনে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেলে পড়ার ও হাসপাতালে ইন্টার্নশিপের নানা স্মৃতি তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বহুদিন ধরে একটি আর্তনাদ তার কানে ধ্বনিত হয়। সেটি ছিল এক রোগীর পরিবারের সদস্যের। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়া ওই রোগীর সঠিক রোগ নির্ণয়ে তাদের ওয়ার্ডের সবাই ব্যর্থ হয়েছিলেন, কারণ সেদিন সিটি স্ক্যান মেশিন অকেজো ছিল। শত চেষ্টা করেও ওই ব্যক্তিকে বাঁচানো যায়নি। এ সময় পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালনকালে একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে জুবাইদা রহমান বলেন, দুই চোখ অন্ধ এক ছোট শিশু, যে টেট্রালজি অব ফ্যালট (হৃৎপি-ের জন্মগত ত্রুটি) রোগে আক্রান্ত ছিল, তিনি সামনে দাঁড়ালে কেমন করে যেন সে বুঝতে পারত। শেষ পর্যন্ত অপারেশনের টেবিলে শিশুটিকে হারাতে হয়েছিল। গাইনি ও অবসটেট্রিকস বিভাগে দায়িত্ব পালনের সময়ের একটি ঘটনার কথাও তুলে ধরেন জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, অষ্টম কন্যাশিশু হবেÑ আলট্রাসনোগ্রামে এমন তথ্য জানার পর জীবনের ভারে ন্যুব্জ এক রিকশাচালক তার স্ত্রীকে ওয়ার্ডে একা রেখে চলে যান। তার সেই অসহায়ত্ব হয়তো বোঝা যায়। পরে শিশুটির জন্ম হলে দেখা যায়, সেটি পুত্রসন্তান। তবে জন্মের পরপরই শিশুটির শ্বাস নিতে দেরি হচ্ছিল। তাকে দ্রুত পেডিয়াট্রিক ওয়ার্ডে ইনকিউবেটরে নেওয়া হয়। পরে শিশুটি বেঁচে যায় এবং পুরো পরিবার আবার একত্র হওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে। জুবাইদা রহমান বলেন, বর্তমানে নিশ্চয়ই পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর তার আর কখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাংলাদেশে ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স অ্যান্ড কমপ্যাশন ফর পেশেন্টস’ হিসেবে গড়ে উঠবে। চিকিৎসাসেবায় মানবিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে জুবাইদা রহমান বলেন, একটি আশ্বস্ত করার বাক্যও ওষুধের মতো কাজ করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভিত্তি জ্ঞান হলেও চিকিৎসা পেশার প্রকৃত ভিত্তি মানবিকতা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা যতই প্রযুক্তিনির্ভর হোক না কেন, এর কেন্দ্রবিন্দুতে সব সময় মানুষই থাকবে। ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ২০ থেকে ২৫ বছর পর তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসাশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে দেখতে চান। তার ভাষায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আগামী অধ্যায় শুধু অতীতের গৌরবের ধারাবাহিকতা হবে না; এটি হবে নতুন উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং মানবিক নেতৃত্বের নতুন অধ্যায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জুবাইদা রহমান বলেন, আজ তারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত থাকলেও তাদের পরিচয়ের শিকড় একটাইÑ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখন সময় এসেছে অ্যালামনাইকে শুধু স্মৃতির বন্ধনে নয়, দায়িত্বের বন্ধনে যুক্ত করার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেনÑ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!