× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৬:২৪ এএম

থামছে না হামের তীব্রতা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৬:২৪ এএম

থামছে না হামের তীব্রতা

একদিকে হামের তীব্রতা, অন্যদিকে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব। আবার এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মৌসুমি জ¦র। সব মিলিয়ে রাজধানীসহ দেশবাসীকে একটা অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মধ্যে দিন পার করতে হচ্ছে। বেশির ভাগ বাড়িতেই রয়েছে একাধিক জ¦র আক্রান্ত রোগী। এদের মধ্যে কার ডেঙ্গু বা কার হাম হয়েছে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে সংকট। ফলে সঠিক চিকিৎসা নিতে দেরি হচ্ছে রোগীদের। এতে বাড়ছে মৃত্যু। শুধু হাম সন্দেহে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৭ জন। অন্যদিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৭১ জন। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ নজরদারি করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত দুই মাস ধরে সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। রোগীরা যেন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। তবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ মুহূর্তে হাম পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

গতকাল রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম ও ডেঙ্গু বিষয়ক আলাদা আলাদা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯২৫ এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ পাঁচ হাজার ৬১৮ জন। এ সময় নিশ্চিত হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১০৬ জন আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৬৩২ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ হাজার ৮৪৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১২২ জন। এ ছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৪৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়া ডেঙ্গু বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু না হলেও এ সময়ে ২৭১ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩০ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২ জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৪ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ৬ হাজার ৪০৪ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ৫ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ নারী রয়েছেন। চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে গতকাল এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘হাম নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। মূলত শিশুদের পুষ্টিহীনতার কারণে হাম পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি দাবি করেন, গত চার বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ ও টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!