× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৩:০৫ এএম

প্রধানমন্ত্রী বললেন

পোশাকশিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর হতে পারে অর্থনীতির নতুন গন্তব্য

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৩:০৫ এএম

পোশাকশিল্পের পর  সেমিকন্ডাক্টর হতে পারে  অর্থনীতির নতুন গন্তব্য

তৈরি পোশাকশিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির আরেকটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। এ লক্ষ্য পূরণে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সব ধরনের কাঁচামালের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার এবং রপ্তানি আয়ের ওপর নগদ প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

গতকাল শনিবার ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, এআই অ্যান্ড রোবোটিক্স সামিট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিটের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ আয়োজনকে ‘আগামীর প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম কারিগরদের মিলনমেলা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যা হবে স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর। মেধাভিত্তিক বাংলাদেশের সম্ভাবনার বার্তা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চায় সরকার।

বিশ্ববাজারে সেমিকন্ডাক্টরের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি মিলেই চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের ভিত্তি তৈরি করেছে। সেমিকন্ডাক্টর শুধু একটি শিল্প নয়, এটি আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে মহাকাশের স্যাটেলাইটÑ সবকিছুর কেন্দ্রেই রয়েছে মাইক্রোচিপ।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যেই বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে। এ বাজারে প্রবেশের জন্য বাংলাদেশের সামনে অপার সুযোগ রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প থেকে রপ্তানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, বাংলাদেশ তা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি ‘সম্মিলিত জাতীয় মিশন’ ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেটে এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের কাঁচামালের ওপর সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ডিজাইন সার্ভিস রপ্তানি আয়ের ওপর নগদ প্রণোদনা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রথমবারের মতো বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি অনুদান বিতরণও করা হয়েছে।

ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, কর ও বন্ড-সুবিধা প্রদান এবং ওয়ান-স্টপ সার্ভিস আরও কার্যকর করতে সরকার কাজ করছে। বিদ্যমান হাইটেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি একটি বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর পেশাজীবীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবাসে থাকা এসব বিশ্বস্বীকৃত মেধাবীকে দেশের সমৃদ্ধির পথে আরও গভীরভাবে যুক্ত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ জরুরি। সম্প্রতি বিদেশে আয়োজিত রোডশোগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, শুধু রোডশো নয়, বরং ফলোআপ, অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও রপ্তানির সুযোগকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে।

দক্ষতার ঘাটতি, ল্যাব ও বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের কঠিন প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, সব সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছা আমাদের রয়েছে। আপনাদের সেই অদম্য ইচ্ছাকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সাধ্যের সবটুকু দিয়ে বর্তমান সরকার পাশে থাকবে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প খাত এবং প্রবাসী পেশাজীবীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দিনের এ সামিট থেকে নতুন অংশীদারত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার জন্ম হবে, যা দেশের প্রযুক্তি খাতকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। পরে তিনি সামিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!