পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, পরিবেশ রক্ষা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, এ জন্য সাধারণ নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনসচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গতকাল শনিবার ‘জলবায়ু পরিবর্তন : আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এবং বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর অডিটরিয়ামে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়, এটি আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তীব্র তাপপ্রবাহ এবং উপকূলীয় লবণাক্ততা আমাদের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে সাধারণ নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, পরিবেশ রক্ষাকে শুধু সরকারি প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং একটি জাতীয় সংস্কৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার একা পরিবেশ রক্ষা করতে পারবে না; এ জন্য নাগরিক সমাজ, পরিবেশবাদী সংগঠন, তরুণ প্রজন্ম, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
বাপা সভাপতি অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পরিবেশ দিবস আয়োজক কমিটির পক্ষে বাপার যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সুমন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাপার সহসভাপতি অধ্যাপক ড. এম ফিরোজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান, বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, গবেষক, টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন