ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় মামলা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গর্ভবতী নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রোববার (২৮ জুন) উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের দেবতলা (পুকুরপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে দেবতলা গ্রামের রিপন কাজীর বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে তিনি খালাস পান। পরে রিপন কাজী একই গ্রামের শিমুল কাজী, রবিউল কাজী ও রেজাউল কাজীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে স্থানীয়দের দাবি।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এর জেরে রোববার (২৮ জুন) বিকেলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ২৫–৩০ জনের একটি দল তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলায় রিপন কাজীর চাচা রশীদ কাজী, চাচী পারভীন খাতুন, গর্ভবতী বোন তন্নী খাতুন এবং দুই বছর বয়সী শিশু তাসকিনসহ মোট পাঁচজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিল আহমেদ জানান, দেবতলা গ্রামের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন