× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম

ফের বাড়ছে তিস্তার পানি, দুশ্চিন্তায় নদীপাড়ের মানুষ

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে লালমনিরহাটের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত ২৩ জুন তিস্তার পানি একবার বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও দ্রুত নেমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এবার আবারও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুর ১২টায় তা ১৭ সেন্টিমিটার নিচে, বিকেল ৩টায় ১২ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও পরে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে উঠে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গীমারী, সিন্দুর্না ও ডাউয়াবাড়ী; কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈলমারী ও নোহালী; আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, গোবর্ধন, কালমাটি, বাহাদুরপাড়া ও পলাশী এবং সদর উপজেলার ফলিমারী, খুনিয়াগাছ, রাজপুর, তাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে বা কাছাকাছি থাকতে পারে। ইতোমধ্যে কয়েকটি এলাকায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।

আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, দুই-তিন দিন আগে বাড়ি থেকে পানি নেমে গিয়েছিল। আজ আবার পানি বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে বাড়িতে পানি ঢুকছে। রাতে পরিবার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হতে পারে।

কালীগঞ্জ উপজেলার শৈলমারী এলাকার মৎস্য চাষি রুবেল মিয়া বলেন, পুকুরে অনেক মাছ চাষ করেছি। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে সব মাছ ভেসে যাবে। প্রতিবছর এমন ক্ষতি হলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশে ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি বা তার ওপরে থাকতে পারে। এতে স্বল্পমেয়াদি বন্যার পাশাপাশি পানি কমার পর নদীভাঙনের ঝুঁকিও রয়েছে। সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে।

Link copied!