× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ১০:৩৪ এএম

চারঘাটে বৈধ বালুমহাল বন্ধ, বেকায়দায় ঠিকাদার ও ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা

চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ১০:৩৪ এএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘা অঞ্চলে বৈধ বালু মহালের ইজারা কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় ঠিকাদাররা চরম আর্থিক সংকটে ও বেকায়দায় পড়েছেন। অসাভাবিকভাবে বালুর দাম বৃদ্ধিতে সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় ঠিকাদারদের ওপর। ঠিকাদাররা নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের চুক্তিতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ফলে থমকে গেছে উন্নয়ন কাজ ও বাড়ি নির্মাণ। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে চারঘাট ও বাঘার বৈধ বালু মহাল ইজারা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঠিকাদার, ইমারত নির্মাণ শ্রমিকসহ স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর থেকে রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘা উপজেলার বৈধ বালুর ঘাট বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় বালুর সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বালুর দাম। বালু সংকট ও চড়া দামের কারণে উন্নয়ন ও নির্মাণ খাতে খরচ বাড়ার পাশাপাশি অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। কয়েকজন রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের মালিক বলেছেন, বালু সংকটে তাদের অনেক ভবনের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। চলমান সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পেও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে বেকার হয়ে পড়েছেন হাজারও বালু ও পরিবহন শ্রমিক। ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত ইজারাকৃত চারঘাট ও বাঘা বালুমহাল থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলন ও সরবরাহ অব্যাহত ছিল। তবে ৫ আগস্টের পর থেকে বন্ধ রয়েছে সেসব বালুমহাল।

এলাকাবাসী জানায়, এসব বালুমহাল থেকে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন হতো আগে। ফলে বালুর দাম তুলনামূলকভাবে কম ছিল। এখন বেশি দাম দিয়েও বালু পাওয়া যাচ্ছে না।

বালু বিক্রেতা আব্দুল খালেক বলেন, আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ বালু উত্তোলন হতো। ফলে বালুর দাম কম ছিল। এখন টারঘাট ও বাঘায় কোনো ঘাটে বালু নেই। বালুর প্রচুর চাহিদা রয়েছে, কিন্তু বালুর সংকটটাই বেশি হয়ে গেছে। ফলে বাড়িঘর নির্মাণসহ উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ থাকছে। বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় হাজার হাজার শ্রমিকও বেকার হয়ে পড়েছেন। আগে এক ট্রলি বালুর দাম ভাড়াসহ ছিল ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এখন সেই বালুর দাম ভাড়াসহ ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না।

ইমারত নির্মাণ শ্রমিক আব্দুল আওয়াল বলেন, রাজশাহীতে ভবন নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজের জন্য প্রচুর বালুর দরকার। কিন্তু পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। ফলে বালুর দাম বেড়েছে দুই তিনগুণ। এ কারণে নির্মাণ খাতের খরচ বেড়ে গেছে। মসজিদ,মাদ্রসাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ এখন বন্ধ রাখতে হচ্ছে বালুর জন্য।

এব্যাপারে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, বৈধ বালুমহাল ইজারা দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি বালুমহালের রিট থাকায় সেগুলো ইজারা দেওয়া হয়নি। রিট নিষ্পত্তি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিছুদিন বেশি দামে বালু বিক্রির অভিযোগ ছিল। তবে সবাইকে নিয়ে বসে বালুর ন্যায্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!