× UCB Sticker Card
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম

টানা বর্ষণে আবারো ডুবছে চট্টগ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামে ফের শুরু হয়েছে ভারী বর্ষণ। টানা বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে হাঁটুপানি জমে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে শ্রেণি কার্যক্রম ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করেছে।

রোববার (১২ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ১২ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার।

সকাল থেকে চকবাজার, বাকলিয়া, রাহাত্তারপুল ও কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কে হাঁটুপানি দেখা যায়। পানির মধ্যে দিয়েই যানবাহন চলাচল করতে হয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে অফিসগামীদের ছাতা ও রেইনকোট পরে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। এদিকে অনেক এলাকায় রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকট তৈরি হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু চালক স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি ভাড়া আদায় করছেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে আগামী দুই থেকে তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও বাড়তে পারে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে।

এর আগে শনিবার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার ১৫টি উপজেলায় প্রায় ৬ লাখ ৬২ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া উপজেলায় প্রায় ৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ এবং বাঁশখালীতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ।

গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। বাঁশখালীতে তিনজন এবং আনোয়ারা, সীতাকুণ্ড, হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও সাতকানিয়ায় একজন করে মারা গেছেন। এছাড়া নগরীতেও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে চট্টগ্রামে। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার জুলাই মাসে এক দিনে গত ৪৩ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়। সেই বৃষ্টিতে আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, চকবাজার, কাতালগঞ্জ ও পতেঙ্গাসহ বহু এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। দুই দিন বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও নতুন করে ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ায় আবারও জলাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নগরীর আমবাগান আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে ৫৪ মিলিমিটার এবং সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আরও ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট বৃষ্টিপাত হয়েছে ১০৪ মিলিমিটার।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!