খুলনার খালিশপুরে হোমিও চিকিৎসক মমতাজ পারভীন হত্যা মামলায় তার বড় ছেলে মো. মাসুম হোসেনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১ জুলাই) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক মো. আসাদুর জামান এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলেও আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে রিমান্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, খালিশপুর থানার জিআরও মো. আ. মান্নান হাওলাদার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, সোনাডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইউসুফ আলী আদালতে রিমান্ডের আবেদন উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং সেদিন থেকেই তা কার্যকরের নির্দেশ দেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ জুন সকাল ১০টার দিকে নিহত মমতাজ পারভীনের ছোট ছেলেের স্ত্রী ফারজানা ইসলাম মুনা শাশুড়ির কক্ষে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। ডাকাডাকিতে কোনো সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন, মমতাজ পারভীনের মুখ ফুলে রয়েছে, নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। এছাড়া তাঁর ডান হাতের ছোট আঙুলের গোড়ায় দুটি কামড়ের চিহ্ন এবং ঘাড়ের বাম পাশে নখের আঁচড়ের দাগ ছিল।
খবর পেয়ে খালিশপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ নিহতের দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। পরদিন দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় তাদের থানায় ডাকা হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে নিহতের বড় ছেলে মো. মাসুম হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। বর্তমানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন