× UCB Sticker Card
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

খুলনায় পাঁচ মাস পর মাটি খুঁড়ে ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী আটক

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

খুলনার হরিণটানা এলাকায় নিখোঁজের প্রায় পাঁচ মাস পর এক ইজিবাইক চালকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাড়ির সামনের মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিক মুরাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী ফাল্গুনী খাতুনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে হরিণটানা থানাধীন রেলব্রিজ সংলগ্ন ব্লু ওয়েল আবাসিক এলাকার একটি বাড়ির সামনে অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের নাম মারুফ। তিনি পেশায় ইজিবাইক চালক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে সোমবার সকালে হরিণটানা থানায় যান ফাল্গুনী খাতুন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, স্বামী মুরাদ মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে তাকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছেন। অভিযোগের একপর্যায়ে তিনি পুলিশকে জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে মুরাদ মারুফ নামে এক ইজিবাইক চালককে হত্যা করে বাড়ির উঠানে মরদেহ পুঁতে রাখেন এবং তার ইজিবাইক ছিনিয়ে নিয়ে পরে কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেন।

এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মুরাদ মোল্লাকে আটক করে। পরে তার দেখানো স্থান থেকে বাড়ির সামনে মাটি খুঁড়ে গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হরিণটানা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন মিলন জানান, নিহত মারুফের সঙ্গে অভিযুক্ত মুরাদের পূর্বপরিচয় ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গত রমজান মাসের কোনো এক রাতে ফোন করে মারুফকে বাড়িতে ডেকে আনা হয়। পরে ইজিবাইকে বসা অবস্থায় পেছন থেকে দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। একই রাতে বাড়ির উঠানে গর্ত করে মরদেহ পুঁতে রাখা হয়। হত্যার পর ইজিবাইকটি খুলে বিভিন্ন অংশ বিক্রি করে দেওয়া হয় বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় গুডুদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তুহিন বলেন, মুরাদ মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। মাদকের টাকার জন্য তিনি পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন করতেন। তার আচরণের কারণে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Link copied!