ময়মনসিংহের হালুয়ায়াট-ধোবাউড়া ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। বিজিবিকে সহায়তা করতে মোতায়েন করা হয়েছে ভিডিপি। সীমান্তবর্তী জনসাধারণ ও সব দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহায়তা চেয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ ৩৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুরুল আজিম বায়োজিদ দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সীমান্তে পুশইন প্রতিরোধ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন, ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত পাঁচ কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিছুর রহমান মানিক, যুগ্ম আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন খান লিটন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি জিন্নত আলী প্রমুখ।
ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, সিমান্তে অবৈধ পুশইন ঠেকাতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে একটি মতবিবিনিময় সভা করেছি। সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন বলেন, আমরা এখানে আমাদের কর্মকর্তাসহ, পাঁচজন বিজিবি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল। আর আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কিছু অংশগ্রহণ করেছিল। সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির পক্ষে একা সম্ভব না।
সীমান্তে আমাদের স্থানীয় জনগণ যারা আছে, তারা যেন আমাদের বিজিবিকে সহযোগিতা করে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, বিভিন্ন সংগঠন আছে, তাদেরও বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। তারাও যেন সীমান্তে বিজিবিকে সহায়তা করে। বিজিবির পক্ষ থেকে আনসার চাওয়া হয়েছে। যা আজকালের মাঝেই সীমান্তে মোতায়েন করা হবে। সর্বোপরি আমাদের সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই যেন আমরা এই বিষয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করি।
ময়মনসিংহ ৩৯ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নুরুল আজিম বায়োজিদ বলেন, পুশইন ঠেকাতে সীমান্তের কিছু এলাকায় আনসার সদস্যরা কাজ করছে। সীমান্তে আরও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। এ ছাড়া সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সীমান্তবর্তী জনসাধারণ ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। তারা যেন নিয়মিক সীমান্তের খোঁজখবর রাখেন।

