হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে কনকনে শীতে কাঁপছে দেশের উত্তরের জনপদ পঞ্চগড়। এক সপ্তাহের বেশি সময় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তি থাকলেও আজ হঠাৎ করেই কমে গেছে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ ডিগ্রির ঘরে। ফলে শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। গত বুধবার জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পঞ্চগড়সহ আশপাশের জেলাগুলোতে কয়েক দিন ধরেই হিমালয় থেকে আসা হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। রাত ও সকালে কনকনে ঠান্ডার কারণে গ্রামগঞ্জের মানুষ শীতবস্ত্র পরিধান করছেন। দিনের বেলায় রোদের দেখা মিললেও কমছে না শীতের দাপট।
এদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বাড়ছে। বহির্বিভাগে প্রতিদিনই চিকিৎসা নিচ্ছেন ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভোগা রোগীরা। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যা বেশি। গুরুতর অসুস্থদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।
তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ বলেন, কয়েকদিন পর হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ সকালে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সামনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন