× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৬, ০২:১৬ এএম

এবার নতুন নিয়মে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৬, ০২:১৬ এএম

স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট গ্রহণে নতুন নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন এ নীতিমালায় ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি একজন ভোটার ভোট দিতে গড়ে কত সময় পাবেন, তারও হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ জারি করে নির্বাচন কমিশন।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ ও উপনির্বাচনে প্রতি ৬০০ জন পুরুষ ভোটারের জন্য একটি এবং প্রতি ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে। আগে প্রতি ৪০০ জন পুরুষ এবং ৩০০ থেকে ৩৫০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ ছিল।

ইসির হিসাব অনুযায়ী, কোনো ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোটার উপস্থিত হলে একজন পুরুষ ভোটার গড়ে ৪৮ সেকেন্ড এবং একজন নারী ভোটার গড়ে ৫৮ সেকেন্ড সময় পাবেন ভোট দিতে।

ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানোর ফলে একাধিক গোপন ভোটদান কক্ষ (মার্কিং প্লেস) রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রতি দুই হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের বিদ্যমান নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে।

নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ভোট গ্রহণের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকার গেজেট প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত একটি ভোটকক্ষ রাখার আগের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্য—এই তিনটি পদে পৃথক ব্যালটে ভোট গ্রহণ করা হয়। ফলে ভোটগ্রহণ ও গণনায় তুলনামূলক বেশি সময় লাগে।

তাদের মতে, ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানোর ফলে ভোটার উপস্থিতি বেশি হলে ভোট দিতে অপেক্ষার সময় এবং ভোট গণনায় সময় বাড়তে পারে। এতে কিছু ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কাও রয়েছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের দাবি, নতুন ব্যবস্থায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলেও ভোটকক্ষের সংখ্যা কমবে। এতে দায়িত্বপ্রাপ্ত জনবল কম লাগবে এবং সরকারি ব্যয় সাশ্রয় হবে। কমিশনের ধারণা, ভোটার তালিকায় থাকা প্রবাসী, মৃত ভোটার এবং নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত অনেক ব্যক্তি ভোট দিতে আসেন না। ফলে প্রকৃত ভোটার উপস্থিতি আগের মতোই থাকবে এবং নতুন নীতিমালায় বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না।

Link copied!