ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

স্বাধীনতা দিবসে এবার দেশব্যাপী আলোকসজ্জা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ছবি-সংগৃহীত

জ্বালানি সংকট বিবেচনায় এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, প্রথাগতভাবে স্বাধীনতা দিবসে বর্ণিল আলোকসজ্জা করা হলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার তা পরিহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট যাতে না হয় এবং আমরা যাতে সাশ্রয়ী হতে পারি, সেজন্য দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্য সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পমাল্য অর্পণসহ সব রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরে মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, সড়ক পরিবহনে যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয় এবং জনজীবনে স্বস্তি বজায় থাকে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে যাতে কোনো অসন্তোষ সৃষ্টি না হয়, সেজন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঈদের প্রস্তুতি সমন্বয়ের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপিকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করবেন, যাতে কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটে।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ও মব জাস্টিস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা মবের বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। বাংলাদেশ থেকে মব কালচার বিলুপ্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, নরসিংদীতে সংঘটিত অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জায়গার ঘটনাগুলোও পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।