× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ০৭:২১ পিএম

রণাঙ্গনে  ইরানের  চূড়ান্ত বিজয় হয়েছে: মোজতবা খামেনি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ০৭:২১ পিএম

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনী। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনী। ছবি : সংগৃহীত

আজ দৃঢ়তার সাথে বলা যায় যে, রণাঙ্গনে ইরানের বীর জনগণের চূড়ান্ত বিজয়ী হয়েছে  বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনী।

ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন উপলক্ষে প্রকাশিত এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

বার্তা কুরআনের একটি আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করে  মোজতবা খামেনী বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি, যাতে আল্লাহ তোমাদের অতীত ও ভবিষ্যতের সমস্ত পাপ ক্ষমা করেন, তোমাদের ওপর তার অনুগ্রহ পূর্ণ করেন, তোমাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করেন এবং তোমাদেরকে মহাবিজয় দান করেন।’

তিনি বলেন, ‘স্বদেশের ভাই ও বোনেরা! আজ দৃঢ়তার সাথে বলা যায় যে, আপনারা, ইরানের বীর জনগণ, এই রণাঙ্গনে চূড়ান্ত বিজয়ী হয়েছেন। একটি প্রধান শক্তি হিসেবে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের উত্থান এবং সাম্রাজ্যবাদের দৃশ্যমান পতন সকলের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে।’

মোজতবা খামেনী বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে এক ঐশ্বরিক আশীর্বাদ যা আমাদের শহিদ নেতা ও অন্যান্য শহিদদের রক্ত, নির্যাতিত দেশবাসী এবং মিনাবের সেই মহৎ বৃক্ষের বিদ্যালয়ে ছড়ানো ফুলের বিনিময়ে আমাদের ওপর বর্ষিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রথম দিনে, মিনাবের শাহারেহ তাইয়েবেহ বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং প্রায় ১৭০ জন স্কুলছাত্রী নিহত হয়।

মোজতবা খামেনি বলেন, ‘এই ঐশ্বরিক আশীর্বাদের প্রতি কৃতজ্ঞতার বাস্তব প্রকাশ হলো একটি শক্তিশালী ইরান অর্জনের লক্ষ্যে অক্লান্ত প্রচেষ্টা। আমরা যদি সামরিক নীরবতার পর্যায়ে প্রবেশ করেছি বলেও ধরে নেয়া হয়, তবুও রাস্তায়, পাড়ায় এবং মসজিদে উপস্থিত থাকতে সক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব হলো তাদের অংশগ্রহণ আরও জোরদার করা।’

আলি খামেনিকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘শহিদ নেতা প্রায়শই জোর দিয়ে বলতেন, একটি শক্তিশালী ইরান অর্জনের লক্ষ্যের পথ হলো সমাজের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে ঐক্য স্থাপন। গত চল্লিশ দিনে এই ঐক্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অর্জিত হয়েছে। জনগণের হৃদয় আরও কাছাকাছি এসেছে, বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং তাদের ভিন্ন ভিন্ন প্রবণতার মধ্যেকার বিভেদ গলতে শুরু করেছে এবং সকলেই মাতৃভূমির পতাকার নিচে সমবেত হয়েছে। দিন দিন এই সমাবেশ সংখ্যা এবং গুণমান উভয় দিক থেকেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

সূত্র: সংবাদ সংস্থা তাসনিম।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!