× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম

যৌন নিপীড়ন মামলায় নারী সাংবাদিককে ৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা দিচ্ছেন ট্রাম্প

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা আপিল গ্রহণ করেনি দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে লেখক ও সাংবাদিক ই. জিন ক্যারলের করা যৌন নিপীড়ন ও মানহানি-সংক্রান্ত মামলায় ৫ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১ কোটি ৬২ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্ট ২০২৩ সালে জুরি বোর্ডের দেওয়া রায় বাতিলের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর ক্ষতিপূরণের রায় কার্যকর থাকবে।

ই. জিন ক্যারল প্রথমে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। পরে নিউইয়র্কে ২০২২ সালে কার্যকর হওয়া একটি আইনের আওতায় অতীতের যৌন নিপীড়নের অভিযোগেও দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। ওই আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়সীমা অতিক্রম করা পুরোনো অভিযোগ নিয়েও ভুক্তভোগীরা আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার সুযোগ পান।

আইনি প্রক্রিয়ার কারণে যৌন নিপীড়নের মামলাটির বিচার আগে সম্পন্ন হয়। সেই মামলায় জুরি বোর্ড ট্রাম্পকে দায়ী সাব্যস্ত করে ক্যারলকে ৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে ২০১৯ সালের মানহানি মামলার রায়েও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ৮৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়। সুদ যুক্ত হলে ক্যারলের মোট পাওনার পরিমাণ ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে।

মামলায় ক্যারলের অভিযোগ ছিল, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউইয়র্কের একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। পরে তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে আনলে ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করার পাশাপাশি তার মানহানি করেছেন বলেও দাবি করেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প শুরু থেকেই সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তার অভিযোগ, বিচারক লুইস কাপলান বিচারপ্রক্রিয়ায় একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ট্রাম্পের আইনজীবীদের মতে, অতীতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা দুই নারীর সাক্ষ্য এবং ২০০৫ সালের ‘অ্যাকসেস হলিউড’ অডিওকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা উচিত হয়নি।

তবে গত বছর দ্বিতীয় সার্কিট কোর্ট অব আপিলস নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখে জানায়, বিচারপ্রক্রিয়ায় এমন কোনো গুরুতর ত্রুটি পাওয়া যায়নি, যার কারণে নতুন করে বিচার প্রয়োজন হতে পারে। এরপর পূর্ণ বেঞ্চে পুনর্বিবেচনার আবেদনও নাকচ হলে ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন।

সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, দায়িত্বে থাকা একজন প্রেসিডেন্টকে পুরোনো অভিযোগের মামলায় ব্যস্ত রাখা তার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ক্যারলপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, পর্যাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই জুরি এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

২০২৩ সালের রায়ের পর ট্রাম্প আদালতের নিয়ন্ত্রিত একটি হিসাবে ৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার জমা রেখেছিলেন। ফলে সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের পর ক্যারল দ্রুত ওই অর্থ পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

এদিকে মানহানি মামলায় নির্ধারিত ৮৩ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণের রায় এখনও সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবীরা শিগগিরই এ বিষয়ে নতুন আপিল করতে পারেন বলে জানা গেছে।

সূত্র: সিএনএন

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!