× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৫:৪৯ এএম

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মায়ের শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন নেই

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৫:৪৯ এএম

মায়ের শাল দুধের চেয়ে  বড় ভিটামিন নেই

শিশুদের রোগ প্রতিরোধে মায়ের শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ালেই হবে না, মায়ের দুধও খাওয়াতে হবে। জন্মের পরপর শিশুকে মায়ের শাল দুধ খাওয়াতে হবে। শাল দুধের চেয়ে বড় ভিটামিন আর কিছু হতে পারে না।

তিনি আরও জানান, ক্যাম্পেইন চলাকালে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে হামসহ নানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ‘এ’।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইউনিসেফের মাধ্যমে আমরা লাল ও নীল রঙের ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করেছি। এই ক্যাম্পেইনের জন্য ২ কোটি ৫৫ লাখ ক্যাপসুল সারাদেশে পাঠানো হয়েছে। ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাপসুলের মান কেমনÑ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, টিকার মান ভালো। ইউরোপে একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে এসেছি, সেখানে টিকার মান নিয়ে কথা হয়েছে ইউনিসেফের সঙ্গে। উন্নত মানের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে আমরা দেশে টিকা এনেছি। তিনি বলেন, সারা দেশে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরে তাদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ থাকবে।

এ সময় স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সাল থেকে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’কে সংযুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সাল থেকে এটিকে আলাদা একটি কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করা হয়, যার নাম দেওয়া হয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এটি জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো। ২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা বা এনএনএস অপারেশন প্ল্যানের অধীনে ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছিল। অপারেশন প্ল্যান বিলুপ্ত হওয়ায় এ বছর থেকে এটি জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম হিসেবে পুনরায় চালু হয়েছে। এ ক্যাম্পেইন দেশব্যাপী একযোগে একদিনে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আগে প্রায় ১৫ মাস আগে অপারেশনাল প্ল্যানের মাধ্যমে গতবছর ১৫ মার্চ সর্বশেষ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। এ বছর প্রথম রাউন্ডে গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের একটি করে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ক্যাপসুল বিতরণের জন্য ফিক্সড আউটরিচ কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১০ হাজারটি। এ ছাড়া মোবাইল কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৫০০।

 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!