একদিকে ভালোবাসা, অন্যদিকে হিংসা। আবেগ, উন্মাদনা আর অ্যাকশনের মিশেলে তৈরি হতে চলেছে নতুন এক প্রেমের সিনেমা। আর সেই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা আদিত্য রায় কাপুরকে। পরিচালক মিলাপ মিলন জাবেরীর পরবর্তী সিনেমাতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে চলেছেন তিনি। সিনেমার প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন ভূষণ কুমার।
নির্মাতাদের দাবি, এটি কেবল একটি প্রেমের সিনেমা নয়। বরং এক ‘তীব্র, হিংসাত্মক এবং গভীর আবেগে ভরা মিউজিক্যাল লাভ স্টোরি’। চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৭ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।
কেন আদিত্যকেই এই চরিত্রের জন্য বেছে নেওয়া সে প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন পরিচালক মিলাপ মিলন। তার কথায়, ‘প্রেমের গল্পকে আবেগ এবং গভীরতার সঙ্গে পর্দায় তুলে ধরার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে আদিত্যের। ‘আশিকী ২’-এর পর থেকেই দর্শক তাকে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ এবং আবেগঘন সম্পর্কের গল্পে আপন করে নিয়েছেন। তাই এই চরিত্রের জন্য ওর চেয়ে উপযুক্ত কাউকে ভাবতেই পারিনি।’
তবে পরিচালক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই চরিত্র আদিত্যের আগের ‘রোম্যান্টিক’ ইমেজের পুনরাবৃত্তি নয়। বরং অনেক বেশি জটিল এবং বিস্ফোরক। মিলাপের কথায়, ‘চরিত্রটি একাধারে বীরত্বপূর্ণ, তীব্র, আক্রমণাত্মক এবং মানসিক দিক থেকে অত্যন্ত জটিল। আমার আগের সিনেমা ‘এক দিওয়ানে কি দিওয়ানিয়ত’-এর উন্মাদনাকেও বহু গুণ ছাপিয়ে যাবে এই চরিত্র।’
প্রযোজক ভূষণ কুমারের সঙ্গে আদিত্যের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। এর আগে ‘আশিকী ২’ থেকে শুরু করে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মেট্রো ইন দিনো’Ñ একাধিক সিনেমাতে একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা।
২০১৩ সালে ‘আশিকী ২’ মুক্তির পর রাতারাতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন আদিত্য রায় কাপুর। সেই সিনেমাতে রাহুল জয়করের চরিত্র এখনো দর্শকের মনে অমলিন। তারপর ‘ফিতুর’, ‘মালাং’, ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’ এবং সাম্প্রতিক মট্রো ইন দিনো’-তে নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গেলেও প্রেমের গল্পে আদিত্যের আবেদন যে এখনো অটুট, তা মনে করছেন বলিউডের একাংশ।
এবার সেই পরিচিত আবেগের সঙ্গে যোগ হতে চলেছে আরও বেশি অন্ধকার, আরও বেশি হিংসা এবং আরও গভীর প্রেমের গল্প। ফলে মিলাপ মিলন জাবেরীর নতুন সিনেমাতে আদিত্যের নতুন অবতার ঘিরে ইতোমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে।

