বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হচ্ছে বাড়তি এক দুশ্চিন্তা নিয়ে। শেষ আটে ওঠা দলগুলোর ১৯ জন খেলোয়াড় এক হলুদ কার্ড দূরে রয়েছেন নিষেধাজ্ঞা থেকে। কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলে তারা সম্ভাব্য সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে মরক্কো ও ফ্রান্সের মধ্যকার ম্যাচ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য এই লড়াইয়ে মরক্কোর পাঁচজন খেলোয়াড় এক হলুদ কার্ড দূরে আছেন নিষেধাজ্ঞা থেকে। তারা হলেন ইসা ডিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ানে হালহাল, বিলাল এল খান্নৌস, আজেদিন উনাহি। ফ্রান্সের পক্ষেও সতর্ক থাকতে হবে ব্রাডলি বারকোলা, মানু কোনে, মাইকেল ওলিসেকে। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা হলুদ কার্ড দেখলে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না।
অন্যদিকে শুক্রবার স্পেন ও বেলজিয়ামের ম্যাচে ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়ের সংখ্যা সবচেয়ে কম। স্পেনের হয়ে কেবল ফেরান তোরেস এবং বেলজিয়ামের হয়ে ব্র্যান্ডন মিকেলে এক হলুদ কার্ড দূরে আছেন নিষেধাজ্ঞা থেকে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের জয়ীর মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে।
ড্রয়ের অন্য অংশে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড ম্যাচেও রয়েছে পাঁচজন ঝুঁকিতে থাকা ফুটবলার। নরওয়ের এন্তনিও নুসা ছাড়াও ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম, ডেকলান রাইস, মার্ক গেহি ও নিকো ও’রাইলিকে সতর্ক থাকতে হবে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডের তিনজন খেলোয়াড়Ñ গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া মিরো মুহেইম এক হলুদ কার্ড দূরে রয়েছেন। আর আর্জেন্টিনার একমাত্র ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড় গনসালো মন্তিয়েল।
ফিফার নিয়ম কী : ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেমিফাইনালে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হবে। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে সব হলুদ কার্ডের হিসাব পুনরায় শূন্য (রিসেট) হয়ে যাবে। ফলে সেমিফাইনালে হলুদ কার্ডের কারণে কেউ ফাইনাল বা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নিষিদ্ধ হবেন না।
কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়রা হলেনÑ মরক্কোর ইসা ডিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খান্নুস ও আজেদিন উনাহি। ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেকলান রাইস ও মার্ক গেহি। সুইজারল্যান্ডের গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া ও মিরো মুইহেইম। ফ্রান্সের মানু কোনোয়ে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল অলিসে। নরওয়ের আন্তোনিও নুসা। বেলজিয়ামের ব্র্যান্ডন মেখেলে। স্পেনের ফেরান তোরেস। আর্জেন্টিনার গনসালো মন্তিয়েল।

