× UCB Sticker Card
বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

তিন মাস স্কুলে অনুপস্থিত, তবুও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাংলাগড় উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং রাতোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরৎচন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টানা তিন মাসের বেশি সময় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে টানা তিন মাস পাঁচ দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন শরৎচন্দ্র রায়। বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় ওই সময়ের মধ্যে তার কোনো স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি। কোনো ধরনের অনুমোদিত ছুটি ছাড়াই দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও তিনি ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে নিয়মিত মাসিক বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, শরৎচন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসেন না। ফলে তাদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

বাংলাগড় উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, শরৎচন্দ্র রায় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে আসছেন না। বিষয়টি নিয়ে আমি অসহায় অবস্থায় আছি।

অভিযোগের বিষয়ে শরৎচন্দ্র রায় বলেন, আমি তিন মাস ধরে স্কুলে যাইনি—এ কথা সত্য নয়। প্রায় ১২ দিন বিদ্যালয়ে যাইনি। জুন ক্লোজিংয়ের কারণে ব্যস্ত ছিলাম। তবে বিদ্যালয়ে গেলেও আমি ক্লাস নিই না। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি। বেতন তুলতে হলে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা উচিত এবং আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে স্বাক্ষর করি।

একসঙ্গে শিক্ষক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দুই জায়গা থেকে বেতন নেওয়ার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘আমি দুই জায়গা থেকেই বেতন নিতে পারি।’

রাণীশংকৈল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন না করে কোনো শিক্ষকের বেতন নেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রথম জানতে পেরেছি। বর্তমানে ইএফটির মাধ্যমে বেতন হওয়ায় অনেক বিষয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় না। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষককে শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Link copied!