× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাইফুল ইসলাম সাইফ, চকরিয়া

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০১:৪২ এএম

নদীগর্ভে বিলীন বাড়িঘর, পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ

সাইফুল ইসলাম সাইফ, চকরিয়া

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০১:৪২ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

টানা ছয় দিনের ভারী বৃষ্টি ও মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বেড়িবাঁধ ভেঙে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন দুই উপজেলার অন্তত চার লক্ষাধিক মানুষ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) ও শনিবার উপজেলার বরইতলীতে বন্যার পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে সওরিন জান্নাত ঝর্ণা (১২) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কোচপাড়ায় দ্বিতীয় তলাবিশিষ্ট বাড়িসহ প্রায় ৫০টি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এসব মানুষ আতঙ্কে দিন পার করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের রসুলাবাদ এলাকায় আজ শুক্রবার সকালে নৌকা ডুবে ঝর্ণা বেগম (১২) নিখোঁজ হন। পরে খবর পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পর ফায়ার সার্ভিস তার মরদেহ উদ্ধার করে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পাহাড়ি ঢলের প্রবেশমুখ সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন ও কাকারা ইউনিয়ন ৫ থেকে ৬ ফুট পানির নিচে তলিয়ে আছে। জিদ্দাবাজার-কাকারা-মানিকপুর সড়কের কয়েকটি অংশের ওপর দিয়ে মাতামুহুরী নদী থেকে উপচে আসা ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ায় বসতঘরগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চকরিয়া-পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বেশ কয়েকটি বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়ে বন্যার পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এর ফলে চকরিয়ার কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, হারবাং, চিরিঙ্গা, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী এবং পেকুয়া পৌরসভা ও উপজেলার মেহেরনামা, উজানটিয়া, মগনামা, রাজাখালী, টৈটং, শিলখালী ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

অন্যদিকে, নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল, বদরখালী, কোণাখালী, ঢেমুশিয়া, পূর্ব বড় ভেওলা, পশ্চিম বড় ভেওলা এবং বিএমচর ইউনিয়নে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক বাসিন্দা। এসব মানুষের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় বন্যার পানি বাড়ছে। চকরিয়ায় প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। বন্যাকবলিত মানুষজনকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘জেলা প্রশাসন থেকে দুই উপজেলার জন্য ৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরতদের শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত মানুষদের জন্যও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

বন্যার্ত মানুষ জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সরকারের সহায়তা কামনা করেছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!