ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ ও যশোর-৬ আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে মোট ৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শতকরা একভাগ ভোটারের সমর্থনপত্র না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান, এবিএম গোলাম মোস্তফা ও নজরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ফরম পূরণ অসম্পূর্ণ এবং সাক্ষীর স্বাক্ষর না থাকায় জাতীয় পার্টির এম.এ. হালিমের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন, জামায়াতের গাজী এনামুল হক, বিএনপি সমর্থিত জোটের রশীদ আহমাদ (ধানের শীষের প্রার্থী) ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এর মধ্যে দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম ও জিএম হাসান।
শহিদুল ইসলাম মার্কেন্টাইল ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ঋণখেলাপি হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। অপর প্রার্থী জিএম হাসানের ফরমের ২০ ও ২১ নম্বর অংশ ফাঁকা থাকায় এবং অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর ও জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত আবুল হোসেন আজাদ, জামায়াতের মো. মুক্তার আলী ও এবি পার্টির মাহমুদ হাসান।
জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, ‘যশোরের ৬টি আসনের সবগুলিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে।’
এর আগে গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার যশোর-১ (শার্শা), যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা), যশোর-৩ (সদর) ও যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও সদরের একটি ইউনিয়ন) আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে যশোর-১ ও যশোর-২ আসনে ৭ জন এবং যশোর-৩ ও যশোর-৪ আসনে ৫ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল।



