× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম

রামিসা হত্যা : ডিএনএ রিপোর্ট সম্পন্ন, রোববারের মধ্যেই চার্জশিট

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ডিএনএ টেস্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামীকাল রোববার (২৪ মে) আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তকাজ এখন শেষ পর্যায়ে এবং চার্জশিট চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ ও প্রশাসন তৎপরতার সাথে কাজ করছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান জানান, ‘ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টটি আজ হাতে পেলে এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হবে। আশা করছি, আগামীকালই (রোববার) আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে পারব।’

এদিকে, এই মামলায় গত বুধবার (২০ মে) গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে এই ঘাতক জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে সে ইয়াবা সেবন করেছিল।

ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামি সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

সোহেল জানায়, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে জোর করে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

এরই মধ্যে রামিসার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা কেটে গলা থেকে আলাদা করে এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে। পরে বাথরুম থেকে মরদেহ এনে শয়নকক্ষের খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।

ভয়াবহ এই অপরাধের সময় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার একই রুমে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানায়, ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।

Link copied!