দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ফারজানা চুমকির মিডিয়াতে যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। সেই বছর তার অভিনীত সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়ম- পরিচালিত ‘জীবন যেখানে যেমন’ নাটকটি প্রচার হয়। পরের বছর তিনি ‘লাক্স আনন্দধারা ফটোজেনিক’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন প্রয়াত আলোকচিত্র শিল্পী চঞ্চল মাহমুদের তোলা ছবি জমা দিয়ে। সেই প্রতিযোগিতায় তিনি ২য় হয়েছিলেন। আর প্রথম হয়েছিলেন অপি করিম। এরপর নিজের ভাবনা থেকেই তিনি যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নাট্যদল ‘ঢাকা থিয়েটার’-এ।
এই থিয়েটারেরই শিল্পী রাইসুল ইসলাম আসমাদ, আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মোস্তফা, শহীদুজ্জামান সেলিম, ফারুক আহমেদ, রোজী সেলিম, শমী কায়সার’সহ আরও অনেকে। যদিও বা মঞ্চে চুমকি আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মোস্তফা কিংবা রাইসুল ইসলাম আসাদের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ পাননি কিন্তু তারপরও তিনি ‘ঢাকা থিয়েটার’র একজন সদস্য হিসেবে পরিচয় দিতে ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন চুমকি। এরইমধ্যে বেশকিছুদিন বিরতির পর আবারও মঞ্চে অভিনয় করেছেন চুমকি। নাটকের নাম ‘দেয়াল’।
নাটকটি সেলিম আল দীন রচিত। নির্দেশনা দিয়েছেন অনিক ইসলাম। এরইমধ্যে নাটকটি মঞ্চস্থ হয়েছে। নাটকে চুমকি একজন অধ্যাপকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ‘দেয়াল’ নাটক যারা মঞ্চে দেখেছেন তারা সবাই যথারীতি চুমকির অভিনয়ের ভূঁয়সী প্রশংসা করেছেন। যে কারণে এখন থেকে আবারও মঞ্চে নিয়মিত অভিনয় করার অনুপ্রেরণা পেলেন চুমকি। চুমকি এর আগে ‘ঢাকা থিয়েটার’র হয়ে মঞ্চে অভিনয় করেছেন ‘হাত হদাই’, ‘বনো পাংশুল’, ‘প্রাচ্য’, ‘যৈকতী কইন্যার মন’, ‘একটি লৌকিক অথবা অলৌকিক স্টিমার’, ‘ন নইরা মনি’সহ আরও কয়েকটি নাটক। মঞ্চে অভিনয় করা প্রসঙ্গে চুমকি বলেন, ‘আমার বড় বোন নীলু আপার অনুপ্রেরণাতেই মিডিয়াতে আসা।’ তার কারণেই আমার আজকের ফারজানা চুমকি হয়ে উঠা। সে কারণে তার প্রতি আমি সবসময়ই কৃতজ্ঞ। আমরা যারা মঞ্চে অভিনয় করি তারা আসলে প্রত্যেকেই মঞ্চের কাজটা ভীষণ ভালোবাসি। মাঝে মাঝে কাজ করতে করতে এত ক্লান্ত হয়ে পড়ি , তারপরও কিন্তু মঞ্চের প্রতি ভালোবাসা একটুও কমে না।
আপনার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে মতামত লিখুন