× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

খুলনায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কেসিসির জরুরি সভা, প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে অপসারণের সিদ্ধান্ত

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

খুলনা মহানগরীতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতকরণ ও অপসারণে জরুরি সভা করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। শনিবার (১১ জুলাই) নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নগরীতে জলাবদ্ধতার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় কেসিসির পক্ষ থেকে নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়। সভায় কেসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বৃষ্টি হলেই নগরীর কয়েকটি এলাকায় পানি জমে যাওয়া কেসিসির জন্য বিব্রতকর। এ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানে নতুনভাবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, শুক্রবার জলাবদ্ধ ছয়টি এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, অন্যান্য এলাকার পানি দ্রুত নেমে গেলেও মুজগুন্নী এলাকার পানি নিষ্কাশনে দীর্ঘ সময় লাগছে।

তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষজ্ঞ ও নাগরিকদের মতামত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন।

সভায় নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিমের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটির পাশাপাশি মুজগুন্নী, লবণচরা ও রয়্যাল মোড়কে কেন্দ্র করে তিনটি উপকমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করে পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ, বক্স কালভার্ট জেট মেশিনের মাধ্যমে পরিষ্কার, প্রয়োজনীয় সময়ে স্লুইচগেট পরিচালনা এবং এক্সকাভেটর ও ট্রাকসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, ‘জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন’ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খুলনা নগরীর মোট ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রায় ২৫ শতাংশ উন্নয়ন সম্পন্ন হবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে তিনটি পাম্প হাউস নির্মাণ, ড্রেন পরিষ্কারের আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে বৈদ্যুতিক স্লুইচ গেট নির্মাণের বিষয়ও সভায় তুলে ধরা হয়।

কেসিসি প্রশাসক চলমান ড্রেনেজ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা, প্রকল্প শেষে নগরবাসী কী কী সুবিধা পাবেন তা নির্ধারণ এবং ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে নতুন প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ দেন।

তিনি নগরীর ড্রেন ও খালের ওপর অবৈধ দখল ছেড়ে দেওয়া এবং ড্রেনে বর্জ্য না ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বারসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!