× UCB Sticker Card
শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে : ডা. শফিকুর রহমান

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। অন্যথায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে চার দফা দাবিতে আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় কার্যকর করা, সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোট বাস্তবায়নের দাবি থেকে আমাদের সরিয়ে নিতে নানা ধরনের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমরা জাতির সঙ্গে বেইমানি করতে পারি না। জনগণকে কথা দিয়েছি, গণভোট বাস্তবায়নের সংগ্রাম চালিয়ে যাব এবং সরকারকে তা বাস্তবায়নে বাধ্য করব। এ অবস্থান থেকে একচুলও সরে যাব না।

তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সরকার গণভোটের বিষয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

তিস্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে তিস্তা নিয়ে আন্দোলন হলেও বর্তমান বাজেটে এ প্রকল্পের জন্য কোনো কার্যকর বরাদ্দ রাখা হয়নি। আমরা কথার ফুলঝুরি নয়, বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চাই। বর্তমান সরকার ব্যর্থ হলে আগামীতে জনগণের সমর্থনে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করে এ দাবি বাস্তবায়ন করবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হলেও সরকার কার্যকর অবস্থান নিচ্ছে না। বিজিবির পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সীমান্ত রক্ষায় ভূমিকা রাখছে।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কিংবা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি আসেনি।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য ছাড়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব নয়। গণঅভ্যুত্থান ও সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করলে দেশ-বিদেশে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা কমে যাবে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, বিএনপি গণভোট, জুলাই সনদ ও তাদের ঘোষিত ৩১ দফার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।

তিনি আরও বলেন, দেশে বিদ্যুৎ সংকট, কর্মসংস্থানের অভাব ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। বাজেটেও অর্থনৈতিক সংস্কারের কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক সংস্কার, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও নাহিদ ইসলাম বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্য করেন।

সমাবেশের শুরুতে সভাপতির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, রংপুর বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার। এবারের বাজেটেও রংপুরের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, রংপুরে বড় কোনো উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়নি এবং সরকারি দলের নির্বাচনী এলাকাগুলোতে তুলনামূলক বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলী আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

এ ছাড়া সমাবেশে জামায়াত ও ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

Link copied!