ঢাকা রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় পড়া চলছে

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ৭, ২০২৬, ১১:১৭ এএম
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণা শুরু করেন।

এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মামলার আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসে পুলিশ। পরে তাদের দুজনকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

এর আগে ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলে ওই দিনই ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা বাসা থেকে বের হয়। পরে তাকে কৌশলে স্বপ্না তাদের কক্ষে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়েকে স্কুলে খুঁজতে গিয়ে তার মা বাসার সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন।

ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে স্বপ্না খাতুনকে ঘটনাস্থল থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বাবা।