× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

নেইমারের মতো ব্রাজিলের আরও যারা শেষ বিশ্বকাপ খেললেন!

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের স্বপ্ন আবারও অপূর্ণই রয়ে গেল ব্রাজিলের। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয়ার পর শুধু আরেকটি শিরোপা হাতছাড়া হয়নি, শেষ হয়ে যেতে পারে সেলেসাওর একটি স্বর্ণালি প্রজন্মের বিশ্বকাপ যাত্রাও।

ম্যাচ শেষে জাতীয় দল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়র। একই পথ অনুসরণ করতে পারেন অভিজ্ঞ ফুলব্যাক দানিলোও। তাদের পাশাপাশি বয়সের বাস্তবতায় আরও কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলারের জন্যও ২০২৬ বিশ্বকাপই হয়ে থাকতে পারে শেষ বিশ্বমঞ্চ।

৩৪ বছর বয়সী নেইমারের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে, নিজের দেশের মাটিতে। সেই আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে গুরুতর চোটে ছিটকে যাওয়ায় জার্মানির বিপক্ষে ব্রাজিলের ঐতিহাসিক ৭-১ গোলের পরাজয়ের সেমিফাইনালে মাঠে নামতে পারেননি তিনি।

২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইনজুরি কাটিয়ে খেললেও শিরোপার দেখা পাননি। ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ব্রাজিলকে সেমিফাইনালের খুব কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে গোল হজমের পর টাইব্রেকারে বিদায় নিতে হয় সেলেসাওদের। তখনই নেইমার বলেছিলেন, সেটিই হয়তো তার বিশ্বকাপের ‘লাস্ট ড্যান্স’।

২০২৬ বিশ্বকাপে এসে তিনি পেলের মতো চারটি বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি গড়েছেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে ৯ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে এসেছেন তৃতীয় স্থানে। তবে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েও অধরা থেকে গেল বিশ্বকাপ শিরোপা।

অন্যদিকে ব্রাজিলের হয়ে টানা তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন দানিলো। চলতি আসরে শুরুতে প্রথম একাদশে জায়গা না পেলেও ওয়েসলির চোটের পর আবার নিয়মিত দলে ফেরেন তিনি। তবে ৩৮ বছর বয়সে ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে জাতীয় দলের জার্সিতে তার পথচলাও শেষ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ টানা তিনটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক ছিলেন অ্যালিসন বেকার। আগামী বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৩৭ বছর।

বিশ্ব ফুটবলে এই বয়সেও গোলরক্ষকদের খেলার নজির আছে। চলতি বিশ্বকাপেই বেশি বয়সে খেলেছেন মানুয়েল ন্যয়ার ও গিয়ের্মো ওচোয়া। তবে ব্রাজিলের ফুটবলে এত দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার সচরাচর দেখা যায় না। তাই লিভারপুলের এই গোলরক্ষকের বিশ্বকাপ অধ্যায়ও সম্ভবত এখানেই শেষ।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের তৃতীয় গোলরক্ষক ছিলেন ওয়েভারটন। পরবর্তী বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৪২ বছর। সেই বয়স পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলে টিকে থাকা কঠিন বলেই মনে করা হচ্ছে।

পিএসজির অধিনায়ক মার্কুইনহোস ক্লাব পর্যায়ে ধারাবাহিক সাফল্য পেলেও জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি। ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন এই সেন্টারব্যাক। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় তার বয়স হবে ৩৬ বছর। তাই আরেকটি বিশ্বকাপে তাকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

দুটি বিশ্বকাপ খেলা অ্যালেক্স সান্দ্রোর বয়স আগামী বিশ্বকাপের সময় হবে ৩৯ বছর। ফলে জাতীয় দলে তার ফেরার সম্ভাবনা কার্যত নেই বললেই চলে।

ব্রাজিলের মাঝমাঠের অন্যতম নির্ভরতার নাম কাসেমিরো। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি তিনি। কোচ কার্লো আনচেলত্তির আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি মাঠে তার গতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ তিনটি বিশ্বকাপ খেলা এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের বয়স পরবর্তী বিশ্বকাপে হবে ৩৮ বছর। তাই তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারও সম্ভবত এখানেই শেষ।

কাসেমিরোর মতো ফ্যাবিনহোর ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা। লিভারপুলের সাবেক এই মিডফিল্ডারের বয়স ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় হবে ৩৬ বছর। তাই তিনিও সম্ভবত নিজের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচটি খেলে ফেলেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও শিরোপাহীন থেকে বিদায় নেয়ার পর ব্রাজিল এখন নতুন করে দল গঠনের পথে হাঁটতে পারে। নেইমার, দানিলো, কাসেমিরো, অ্যালিসন, মার্কুইনহোসদের মতো অভিজ্ঞদের বিদায়ের সম্ভাবনায় আগামী কয়েক বছরে সেলেসাওদের দলে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। হেক্সা জয়ের স্বপ্ন পূরণে তাই এখন ভরসা রাখতে হবে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের ওপরই।

Link copied!