পটুয়াখালীর দুমকিতে বাংলাদেশ ডাকঘর কর্মচারী ইউনিয়ন, ডাকঘর কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুই দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালন করছেন ডাকঘর কর্মচারীরা।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দুমকি উপজেলা প্রধান ডাকঘরের সামনে কর্মচারীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় তারা চাকরি জাতীয়করণ এবং ভাতা তিনগুণ বৃদ্ধির দাবিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আঙ্গারিয়া ডাকঘরের ইলিয়াছ হোসেন, জলিশা ডাকঘরের আরিফা সুলতানা, চরবয়ড়া ডাকঘরের ফারজানা আক্তার, পাঙ্গাশিয়া ডাকঘরের জাফর হোসেন, চরবয়ড়া ডাকঘরের নুরুল ইসলাম এবং শ্রীরামপুর ডাকঘরের রফিকুল ইসলাম টিটুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প সম্মানী নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভাগীয় কর্মচারীরা একই ধরনের কাজ করে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বেতন পেলেও অবিভাগীয় ডাকঘর কর্মচারীরা মাত্র ৪ হাজার ৪৬০ টাকা সম্মানী পান। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই অর্থে পরিবার পরিচালনা করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
তারা আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে কাজ করলেও এখন তারাই বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তাই বিভাগীয় কর্মচারীদের মতো সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানান তারা।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই থেকে দুমকি উপজেলার ডাকঘর কর্মচারীরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন