× UCB Sticker Card
বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম

বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার ডাস্টবিন, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শেরপুরের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১, ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

শেরপুর শহরের নয়আনী বাজার এলাকার বাগড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনেই স্থাপন করা হয়েছে একটি ময়লার ডাস্টবিন। এতে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সময় প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পথচারীকে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

সম্প্রতি বিদ্যালয় ছুটির সময় দেখা যায়, প্রধান ফটকের ঠিক পাশেই থাকা ডাস্টবিনে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য জমে রয়েছে। একই স্থানে একজন ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাকেও শিক্ষার্থীদের কাছে খাবার বিক্রি করতে দেখা যায়, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথের সামনে ডাস্টবিন থাকায় প্রায়ই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পাঠদান ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ডাস্টবিনটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হোক। একই সঙ্গে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ চান তারা।

বাগড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হাজেরা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ডাস্টবিন থাকায় দুর্গন্ধে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিপিও) মাধ্যমে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসকের কাছে ডাস্টবিনটি অন্যত্র সরানোর আবেদন করেছি।

এ বিষয়ে শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা বলেন, ডাস্টবিনের কারণে যদি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ডাস্টবিনটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হবে।

Link copied!